টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জয় ভিন্ন কিছু ছিল না বাংলাদেশের সামনে। সুপার ফোরের ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টাইগাররা জিতেছে ৩ রানের ব্যবধানে। বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ২৪৯ রান।

জবাবে, ৭ উইকেট হারিয়ে আফগানরা তোলে ২৪৬ রান। পরের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে আফগানরা হারলে আর বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে দিলে ফাইনালের টিকিট কাটবে টাইগাররা। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে হবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ।

এরআগে ঢাকা থেকে উড়ে যাওয়া ইমরুল কায়েস ও মাহমুদুল্লাহর দুর্দান্ত পার্টনারশিপে আফগানিস্তানকে ২৫০ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। সেখান থেকে ১২৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেন ইমরুল-রিয়াদ।

দলীয় ৮৭ রানের সময় মাঠে নেমে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করেন ৭৪ রান। অন্যদিকে রিয়াদের মতোই দলের হয়ে ৭২ রান করে অপরাজিত থাকেন ইমরুল কায়েস। দলের প্রথম ভাগের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ইমরুল ও সৌম্য সরকারকে দুবাইয়ে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সৌম্য একাদশে না থাকলেও নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন ইমরুল।

দলীয় ২১৫ রানের মাথায় মাহমুদুল্লাহ আউট হয়ে গেলে ব্যাট হাতে নামেন দলীয় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি ইমরুলকে সঙ্গ দিয়ে তোলেন ১০ রান। মাশরাফির আউট হয়ে গেলে মাঠে নামেন মেহেদী মিরাজ। তিনি সংগ্রহ করেছেন ৫ রান।

এর আগে দলীয় ১৬ রানের মাথায় ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তর (৬) উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। দুই রানের ব্যবধানে সাজঘরে ফিরেন ওয়ান ডাউনে নামা মোহাম্মদ মিঠুনও (১)।

এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস তৃতীয় উইকেট জুটিতে কিছুটা দৃঢ়তা দেখান। দুজনে মিলে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। পরে অবশ্য লিটন ৪১ এবং মুশফিক ৩৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। দ্রুত ফিরে যান সাকিব আল হাসানও (০)।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here