আরও একবার এশিয়া কাপ ফাইনালের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে, আজ হারাতে হবে পাকিস্তানকে। আবুধাবিতে ম্যাচ শুরু বিকেল সাড়ে ৫টায়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জিতে আত্মবিশ্বাসী টাইগার স্কোয়াড। স্টিভ রোডস বলছেন এই কন্ডিশনেও সারফ্রাজদের হারানোর সামর্থ্য আছে তার শীষ্যদের। টপ অর্ডারের কাছ থেকে ভালো শুরুর প্রত্যাশা হেড কোচের।

পাকিস্তানকে হারালেই আবারো ফাইনাল। শিরোপার লড়াইয়ে তখন ভারতকে হারিয়ে দুই বছর আগের প্রতিশোধ নেয়ার উপলক্ষ্য পাবে বাংলাদেশ।

কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে কাজটা সহজ হবার কথা নয়। আমিরাতের জল-হাওয়া অন্যদের চেয়ে সবচেয়ে বেশি জানা থাকলেও আনপ্রেডিকটেবল দলটাকে নিয়ে সতর্ক টাইগাররা।

বাংলাদেশের হেড কোচ স্টিভ রোডস বলেন, পাকিস্তান খুবই ভালো দল। আমাদের টপ অর্ডারও ছন্দে নেই। কিন্তু মুশফিক-ইমরুল-রিয়াদরা প্রমাণ করেছে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচে ফেরার সামর্থ্য আছে তাদের। এই জায়গাটায় আমরা আশ্বস্ত। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিততে হলে শুরুটা ভালো হতে হবে। এসব নিয়ে কাজ করছি আমরা।

লেগ স্পিনে টাইগারদের দূর্বলতা নতুন নয়। পাকিস্তানের শক্তিশালী পেইস ডিপার্টমেন্টের সাথে লেগি শাহদাব হুমকি হয়ে উঠতে পারে। আঘগানদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে রাশিদকে যেভাবে সামলিয়েছে রিয়াদ-ইমরুলরা তাই এখন সাহস দিচ্ছে দলকে।

বাংলাদেশের কোচ স্টিভ রোডস আরো বলেন, শাহাদাব ওরা বিশ্বমানের স্পিনার। আবুধাবির উইকেটে হয়তো কিছুটা সুবিধা পাবে ও। কিন্তু শেষ ম্যাচে ছেলেরা রাশিদকে যেভাবে সালেছে তার পর আশা করি ওকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। আমার বিশ্বাস ওদের ভালোভাবেই সামলানো সম্ভব।

ভারতের বিপক্ষে শোচনীয় হারে আত্মবিশ্বাস তলানীতে। তরুণ ইমাম-উল-হক, বাবর আজমরা অধারাবাহিক। দলের বিপদে বারবার হাল ধরছেন অভিজ্ঞ শোয়েব মালিকা। মিডল অর্ডারে অধিনায়ক সারফ্রাজের অবদান বলার মতো না। বোলিং ডিপার্টমেন্টও ম্যাচ জয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ।

পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক বলেন, যখন আপনি হারবেন, তখন ড্রেসিং রুমের পরিবেশ ভালো থাকে না। ভারতের বিপক্ষে হারের পর আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। কিভাবে ঐ ম্যাচের ভুল দ্রুত কাটিয়ে ওঠা যায়, সে আলোচনাই হয়েছে। আমরা আশা করছি বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরাটা দিতে পারবো

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দিন ক্রিকেটারদের চাপ দেয়নি থিংক ট্যাংক। ঐচ্ছিক অনুশীলনে অনেকেই ঝালিয়ে নিয়েছেন নিজেদের।

বাংলাদেশের একাদশ (সম্ভাব্য): লিটন দাস, নাজমুল হাসান শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মেহেদি হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তানের একাদশ (সম্ভাব্য): ইমাম-উল-হক, ফখর জামান, বাবর আজম, আসিফ আলী, শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী, উসমান খান, শাহীন শাহ আফ্রিদি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here