শহরাঞ্চলে গাছ প্রায় দেখাই যায় না। তার উপর আবার পলিউশন। দেখা দেয় অক্সিজেনের অভাবও। মানুষ বাঁচবে কেমন করে! এমন পরিস্থিতিতে উপায় একটাই, ঘরের মধ্যে গাছ লাগানো। তাই বাড়িতে রাখুন এই গাছগুলিঃ-

অ্যালোভেরা : বাতাসে উপস্থিত কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মোনোঅক্সাইড ও অন্যান্য উপাদানগুলি শোষণ করতে অ্যালোভেরার জুড়ি নেই। অ্যালোভেরা এয়ার পিউরিফায়ার হিসেবে ভালো কাজ দেয়। আবার অ্যালোভেরা রাখলে বাড়ির মধ্যে ফ্রেশ হাওয়াও পাওয়া যায়।

এরিকা প্লাম : এরিকা প্লাম বাটারফ্লাই প্লাম নামেও পরিচিত। বাতাসের দূষিত কণাগুলিকে সহজেই শুষে নেয় এই গাছ। অক্সিজেন উৎপন্ন করে। তবে এই গাছের জন্য পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ফিকাস : বাতাসের দূষিত পদার্থ শুষে নিতে ফিকাসও কার্যকরী। এই গাছের বেশি যত্নের প্রয়োজন পড়ে না। প্রত্যেকদিন জল দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। ছায়াতেই এই গাছ ভালো থাকে। প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন উৎপন্ন করে।

আইভি : বাড়ির পরিবেশ সতেজ রাখতে এই গাছটি কার্যকরী। বাতাসের টক্সিনসহ অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান শুষে নেয় এই গাছ।

স্পাইডার প্লান্ট : এই গাছে পর্যাপ্ত জল দিলে তা বহুদিন বাঁচে। কম আলোতেই সালোকসংশ্লেষ করতে পারে। তাই বাড়িতে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখতে এই গাছ লাগাতে পারেন। অক্সিজেন উৎপন্ন করার পাশাপাশি দূষিত পদার্থগুলিকে শোষণ করে এই গাছ।

স্নেক প্লান্ট : খুব কম জলে এই গাছ বহুদিন বাঁচে। স্নেক প্লান্ট প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন জোগায় বাতাসে।

পিস লিলি : বাতাসের ক্ষতিকারক উপাদান, যেমন- টক্সিন ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান সহজেই শুষে নেয় পিস লিলি। বাতাসে জোগান দেয় অক্সিজেনের। এই গাছ বাড়িতে রাখলে ফ্রেশ অনুভব করতে পারবেন।

ল্যাডি প্লাম : ল্যাডি প্লামের পরিচর্যার জন্য ততটা যত্নের প্রয়োজন পড়ে না। ছায়াতে থাকলে বহুদিন এই গাছ বেঁচে থাকে। অক্সিজেনের জোগান দেয় বাতাসে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here