ভারতের জিততে শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান। সে সময় মাশরাফি বিন মুর্তজার হাতে বিকল্প ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাশ প্রথমে বল তুলে দিয়েছিলেন সৌম্য সরকারের হাতে। কিছুক্ষণ পরই কি মনে করে তাকে সরিয়ে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উপরই আস্থা রাখলেন টাইগার ওয়ানডে অধিনায়ক। কিন্তু কেন? এর ব্যাখ্যায় নড়াইল এক্সপ্রেস বলেছেন, বিপিএল অভিজ্ঞতা।

গেল বিপিএলে খুলনা টাইটানসকে শেষ ওভারে দারুণ বল করে একাধিকবার জিতিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অধিনায়ক মাশরাফি চেয়েছিলেন সেই স্মৃতিই গত আরেকবার সতীর্থ ফিরে আনুক দুবাইয়ে। মূলত সেই চিন্তা থেকেই মাহমুদউল্লাহর হাতে শেষ ওভারের দায়িত্ব তুলে দেন তিনি, ‘আমিই বদলেছি সিদ্ধান্ত। কারণ সে বিপিএলে শেষ ওভারে বোলিং করেছে, দুইবার শেষ ওভারে দলকে জেতানো অভিজ্ঞতা আছে। এটাই আমার মাথায় কাজ করেছে। আমি শুধু ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আত্মবিশ্বাস কতটা আছে। সে সাহস দেখানোর পর ওকেই দিয়েছি। তাছাড়া সৌম্যর পেস কাজে লাগিয়ে হয়ত রান হয়ে যেত সহজেই। ভাবনা ছিল মাহমুদউল্লাহকে যদি মারতেও যায়, তবু আউট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

শেষ ওভার ৬ রান আটকানো কঠিন। তারপরও মাহমুদউল্লাহর শেষ বল পর্যন্ত চেষ্টা করেন। কিন্তু দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। শেষ বলে কেদার যাদব প্রয়োজনীয় ১ রান নিয়ে নেন।

বাংলাদেশকে শেষ ওভারে রোমাঞ্জে জেতাতে পারবেন। এ আশা করেছিলেন মাশরাফি। আর তাই সতীর্থের ওপরেই নড়াইল এক্সপ্রেস রেখেছিলেন আস্থা, ‘মাহমুদউল্লাহকে বলেছিলাম যে ওরা মারতে যাক। মারলে উইকেট পড়ার চান্স আছে। বিশেষ করে কুলদীপের ক্ষেত্রে চাচ্ছিলাম যেন মারতে গিয়ে মিস হিট করে। কেদার যাদব মোটামুটি স্বীকৃত ব্যাটসম্যান, ওর ক্যালকুলেশন হয়ত আরও ভালো হবে। ৫ নম্বর বলটা যদি কানায় না লেগে উইকেটে থাকত, তাহলে অন্যরকম হতে পারত। আসলে এসব সময়ে ভাগ্যের সহায়তা দরকার হয়।’

শেষ ওভারে জিততে না পারলেও রিয়াদকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ম্যাশ, ‘ফাইনালে সুপার ওভারের নিয়ম ছিল। শেষ বলে ডট বা আউট হলেই হতো। রিয়াদ চেষ্টা করেছে। ইয়র্কারই করেছে। প্যাডে লেগে এক রান হয়ে গেছে। রিয়াদ দারুণ বল করেছে। ওই সময়েও যেভাবে বল করেছে তা অসাধারণ। ৬ রান করতে ওদের ৬ বলই লেগেছে, দারুণ বোলিং বলতেই হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here