আট থেকে আশি আইসক্রিমে না নেই অনেকেরই। বিশেষ করে প্রখর গরমে একটু স্বস্তি দিতে এর জুড়ি মেলা ভার। তবে আইসক্রিম শুধুই যে গরম মেটাতে সাহায্য করে তা একেবারেই নয়। একটি গবেষণায় জানা গেছে, ব্রেকফাস্টে নিয়মিত আইক্রিম খাওয়ার ফলে আপনার মস্তিষ্ক আরও সচল হয়ে উঠবে। মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়বে।

টোকিওর কিওরিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক একটি গবেষণা করেন। প্রথমে বেশ কয়েকজন পড়ুয়াকে দুটি ভাগে ভাগ করে দেন। তারপর একটি দলকে বেশ কয়েকদিন ব্রেকফাস্টে নিয়মিত আইসক্রিম খাওয়ান। আর অপর দলটিকে সাধারণ খাবার দেন। আইসক্রিম খাওয়ার পর দুটি দলকেই মাথা খাটিয়ে করার মতো কিছু টাস্ক দেন।

এরপর দুটি দলের টাস্ক ভালো করে খতিয়ে দেখেন ওই অধ্যাপক। দেখেন যেই দলটিকে ব্রেকফাস্টে আইসক্রিম দেওয়া হয়েছিল তারা তুলনামূলকভাবে দ্রুততার সঙ্গে টাস্ক শেষ করেছে। এমনকী, অনেক ভালোভাবে কাজ শেষ করেছে।

কিন্তু, এই বিষয়টি কীভাবে হল তা জানার চেষ্টা করেন ওই অধ্যাপক। আইসক্রিমের মধ্যে এমন কী জিনিস রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ? এই সব প্রশ্নই ঘুরপাক খেতে শুরু করে ওই অধ্যাপকের মাথায়। সমালোচকদের মধ্যে অনেকেই বলেন, আইসক্রিমের মধ্যে থাকা গ্লুকোজ় মস্তিষ্কে পৌঁছে তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। আর আইসক্রিম খাওয়ার ফলে মানুষের মনে একটা খুশি খুশি ভাব লক্ষ্য করা যায়। সব থেকে বড় বিষয় দিনের শুরুতে আইসক্রিম খাওয়ার ফলে মনটা আরও খুশিতে ভরে ওঠে। যা কাজ করার ইচ্ছেও বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া, আইসক্রিম স্ট্রেস দূর করতেও সাহায্য করে।

তবে আর দেরি কেন যে দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিস যেতে ইচ্ছে করবে না একটা আইসক্রিম খেয়ে নেবেন। দেখবেন ভালো লাগবে। কিন্তু, ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে তা এড়িয়ে চলতে পারেন। না হলে হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে। তখন অফিসে না গিয়ে বরং ছুটি নিতে পারেন। এতেও মন ভালো হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here