বাবা আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান। ১৯৮৮ থেকে ২০০২-বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে দিয়েছেন ১৪টি বছর সার্ভিস। খেলেছেন সুনামের সাথে। বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরিতে গড়েছেন ইতিহাস। ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট ইতিহাসে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়কের ছেলে মাহদি ইসলামের রক্তেও প্রবাহিত হচ্ছে ক্রিকেট।

বয়স এখনো ১৫ হয়নি। এই বয়সেই অস্ট্রেলিয়ায় একটার পর একটা কীর্তি গড়ে চলেছেন মাহদি। জিতেছেন  অনূর্ধ্ব-১৫ ওয়ার্ল্ড ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপের অ্যাম্বেসি অব প্লেয়ার পুরস্কার।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ( এসিসি) ডেভেলপমেন্ট অফিসারের দায়িত্ব পেয়েছেন। পরবর্তীতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়েছেন। চাকরির সূত্রে পরিবার-পরিজন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় থাকেন বুলবুল অনেক আগে থেকেই। এক মাস দুবাই, একমাস অস্ট্রেলিয়া, এভাবেই কাটছে বুলবুলের সময়। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আবাসন বলে সেখানেই ক্রিকেট বলয়ে বেড়ে উঠছেন ছেলে। একটার পর একটা ধাপ অতিক্রম করে  ইতোমধ্যে জায়গা করে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৫ দলে।

শনিবার এই ছেলেটির হাতেই উঠেছে অনূর্ধ্ব-১৫ ইনডোর ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি! নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৫ ক্রিকেট দলকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ট্রফি জয়ে মধ্যমনি বুলবুল তনয় মাহদি। অ্যাম্বেসি অব ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মাহদি।  কাছ থেকে দেখেছেন ফাইনাল খেলায় ছেলেকে। ক্রাইস্টচার্চ থেকে অকল্যান্ডে এসে  ছেলের এই  সুসংবাদটা এই প্রতিবেদককে ম্যাসেঞ্জারে ভিডিও কলে দিয়েছেন বুলবুল। ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত বাবা বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ছেলের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here