এখন সবাই মিলে দেশটাকে গড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) গণভবনে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে গত ৯ বছরে দেশের যে উন্নয়ন করেছে সেটা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। এখন সবাই মিলে দেশটাকে গড়তে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সূচনা বক্তব্যে বলেন, আজকে আপনারা এসেছেন গণভবন ও জনগণের ভবনে, গণভবনে আপনাদের স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্র অব্যাহত রেখেছি। বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আজকের এই আলোচনা বিরাট অবদান রাখবে বলে মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটা আমাদের সকলের, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমি বিচারের ভার আপনাদের ওপর ছেড়ে দেব। দীর্ঘ নয় বছর ১০ মাস হতে চলল আমরা সরকারে আছি। এই সময়ের মধ্যে দেশে কত উন্নয়ন করতে পেরেছি, সেটা নিশ্চয়ই আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন।

এরআগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সভায় উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংলাপে যোগ দিতে গণভবনে পৌঁছান ১৪ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে তারা ড. কামাল হোসেন বাসা থেকে গণভবনের উদ্দেশে রওয়ানা হন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

সংলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের ২১ প্রতিনিধি এবং গণফোরাম সভাপতি ড. কামালের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২১ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। এতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

রোববার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে সাত দফা দাবি এবং ১১টি লক্ষ্য সংবলিত চিঠি দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকালে সেই চিঠির জবাব আসে ড. কামালের বাসায়।

এরপর বিকল্পধারার পক্ষ থেকেও সংলাপে বসার আহ্বান জানানো হয়। আগামীকাল ২ নভেম্বর গণভবনে বিকল্পধারার সঙ্গেও সংলাপে বসবে ১৪ দল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here