আলাল ও দুলাল অতি চালাক দুই বন্ধু। তারা যখন যেখানে যাবে সেখানেই তৈরি হয় নতুন গল্প। তারা নিজেদের খুবই চালাক মনে করলেও তাদের কর্মকাণ্ড দেখলে বোঝা যায় তারা আসলে অতি বোকা। দু’জনেই নিজ নিজ বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। অনেক বছর ধরেই তারা এসএসসি পরীক্ষার্থী। আদু ভাইয়ের আধুনিক সংস্করণ।

নাটকের এই পর্যায়ে তারা স্কুল থেকে বহিষ্কার হয়। তাদের এক ক্লাসমেট যে এখন আইনজীবী তার পরামর্শে তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঠুকে দেয় মামলা, ঘটনা মোড় নেয় অন্য দিকে। বোকা হওয়ার কারণে এরা ভয়ে নানান হাস্য-রসাত্মক ও ভুল তথ্য দিয়ে হয়রান করে ফেলে গোয়েন্দা টিমকে। অনেক ঘটনার পরিক্রমায় আলাল ও দুলাল ধরা পড়ে। এরপর সন্ত্রাসী গ্রুপের এক সদস্যের মুখোমুখি করলে সে চিহ্নিত করে এরা আসল আলাল দুলাল নয়। অবশেষে ছাড়া পায় আলাল দুলাল।

একদিন আলালের পরিচয় হয় পাশের গ্রামের মনির সাথে। আলাল দুলালকে বোকা মনে হলে মনিকে মনে হবে বোকা প্লাস। আলালের সাথে মনির প্রেম হয়ে যায়। ঘটনা চক্রে দুলালের সাথে প্রেম হয়ে যায় মনির যমজ বোন মুক্তার।  আলাল দুলালের কর্মকাণ্ডে মনি-মুক্তা মহা বিরক্ত। অবশেষে মনি মুক্তার পরামর্শে আলাল দুলাল সিদ্ধান্ত নেয় তারা ব্যবসা করবে।

ব্যবসায়িক কোন জ্ঞান না থাকলেও তারা একটি দোকান শুরু করে। কম্পিটিশন করে কম মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে লাভের পরিবর্তে লস দিতে শুরু করে। একে একে তাদের পুঁজি শেষ হয়ে যায়। দুইজনেই বেকার হয়ে পড়ে। এনজিও করে তাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বাবুল। এমনি রাতের অন্ধকারে আলাল দুলাল পালায়। আলাল দুলাল শহরে এসে একটি বাড়ি ভাড়া করে এবং চাকুরী নেয়। কিন্তু প্রথম দিনেই সেখানে বিপত্তি বাধে। আবারো পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে দুজন। এভাবে নানা ঘটনার রঙ্গছলে এগিয়ে চলে ‘নানা রঙের মানুষ’-এর কাহিনি।

আগামীকাল ৪ নভেম্বর রাত ৮টায় এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে জনপ্রিয় এ ধারাবাহিক নাটকটি। আহসান আলমগীর রচিত এ  ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন মজিবুল হক খোকন। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদিয়া, নিলয়, শ্যামল মাওলা, অর্ষা, সম্রাট, তানভীর, তানিয়া সুলতানা স্নেহা, শবনম পারভীনসহ আরো অনেকে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here