জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জনসভায় বলেছেন, এদেশ কোন মহারাজা, মহারানীর নয়, এদেশের মালিক জনগণ। দেশে যা হচ্ছে তা মেনে নেয়া যায় না।

যাকে তাকে যেভাবে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। বিরোধী দলের নেতাকে বন্দি রেখে দেশে গণতন্ত্র থাকে না। বেগম জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি দিতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। সরকারি দলের জন্য এক আর বিরোধী দলের জন্য অন্য আইন হতে পারে না।

স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে পারে না। তিনি বলেন, অনির্বাচিত সরকার এটা করতে পারে না। কাউকে বেআইনীভাবে গ্রেপ্তার করা অপরাধ।

তারা যে অন্যায় করছে এক দিন এর জবাব দিতে হবে। তিনি বলেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর তারা বলেছিল এটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। আদালতে বলেছিল শিগগির আরেকটি নির্বাচন দেয়া হবে। একে একে পাঁচ বছর চলে গেল।

তিনি বলেন, সরকারের কথার এক পয়সার দাম নেই।  সমাবেশে আসতে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাস্তা বন্ধ করে, বাস বন্ধ করে জনগণকে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না। ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, ঐক্যবদ্ধ থাকবো। সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। স্বাধীনতার মানে জনগণ ক্ষমতার মালিক।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল পৌনে ১২ টা থেকে বিএনপির সংগঠন জাসাসের নেতৃত্বে জনসভায় গান পরিবেশন করা হয়। জনসভা শুরুর আগ পর্যন্ত এই গান পরিবেশন করা হয়।

জনসভায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সুব্রত চৌধুরী, আব্দুল মালেক রতন, তানিয়া রব, নুরুল আলম বেপারীসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, জয়নাল আবেদীন, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মোয়াজ্জম হোসেন আলালসহ জনসভায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২০ দলীয় জোট নেতা মাওলানা নূর হোসেন কাসেমী, আন্দালিব রহমান পার্থ, সৈয়দ মুহাম্মাদ ইবরাহিম, মোস্তফা জামাল হায়দার, রেদোয়ার আহমেদ, আব্দুল লতিফ নিজামী, আহমেদ আব্দুল কাদের সভায় বক্তব্য রাখেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here