দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপ শেষ হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের। গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আজ বেলা ১১টায় গণভবনে এই সংলাপ শুরু হয়। এতে অংশ নেন ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আলোচনায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. ‌মোশাররফ হো‌সেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ‌মোস্তফা মহ‌সিন মন্টু, দলের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত ‌চৌধু‌রী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, দলের উপদেষ্টা এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।

সংলাপে সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছিলেন, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ডা. দীপু মণি, ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, স ম রেজাউল করিম, রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে ১০ সদস্যবিশিষ্ট নির্দলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই পরিষদের অধীনেই আগামী নির্বাচন পরিচালনার দাবি করেন তারা।

বুধবারের (৭ নভেম্বর) সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন এই প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সূত্র আরও জানায়, এছাড়াও সংলাপে উত্থাপিত ঐক্যফ্রন্টের আরও কয়েকটি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন।

 

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here