এক পর্যায়ে প্রথম সেশনের ব্যর্থতাকে আলোচ্য বিষয় মনে হচ্ছিলো বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের পরের সেশনগুলো লেখা হলো ভিন্ন রচনায়। মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের চোয়ালবদ্ধ মানসিকতায় ঢাকায় জোড়া সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটি হয়ে থাকলো বাংলাদেশের। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩০৩ রান।

শুরুতে ব্যাট হাতে ১৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এর পর মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহীমের সেঞ্চুরিতে ভালো অবস্থানে রয়েছে টাইগাররা। মুমিনুল ১৬১ রানে আউট হলেও মুশফিক অপরাজিত রয়েছেন ১১১ রানে। টেস্ট ক্যারিয়ারে মুমিনুলের এটা সপ্তম সেঞ্চুরি। পরে নাইট ওয়াচ ম্যান হিসেবে নামা তাইজুল ইসলাম ৪ রানে আউট হন। মুশফিক ১১১ ও মাহমুদুল্লাহ ০ রান নিয়ে আগামীকাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন। এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে টাইগাররা।

ব্যাট হাতে লিটন দাস ৯, ইমরুল কায়েস ০ মোহাম্মদ মিঠুন ০ রানে বিদায় নেন। এই ম্যাচে দলে আনা হয়েছে তিন পরিবর্তন। সাদা পোশাকে অভিষেক হলো টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহাম্মদ মিঠুন ও পেসার খালেদ আহমেদের। এদিকে এই ম্যাচ দিয়ে দলে ফিরেছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। আর বাদ পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, আবু জায়েদ রাহি ও নাজমুল ইসলাম অপু। অভিষিক্ত দুজনের মধ্যে মোহাম্মদ মিঠুন আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি শুরু করেছেন ২০১৪ সালে। খালেদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একেবারেই নতুন। তিনি মূলত দলে ঠাই পেয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্স দিয়ে। মিঠুনের ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিলো ২০১৪ সালে ঢাকায়, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। একই বছর টি টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছিলো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও খালেদ আহমেদ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here