২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এ বছরের ৪ ফেব্রুয়ারী হয়েছেন বাবা মুশফিক। ঘর আলো করে আসা পুত্র সন্তান এখনো হাঁটতে শেখেনি। তবে বাবা মুশফিকের সব ভালবাসা এই ছেলেকে ঘিরেই।

ছেলের মুখের হাসি দেখলে সব কস্ট ভুলে যান। ক্যারিয়ারে উন্থান-পতনের মধ্যে ছেলেই তার সব সুখের প্রেরনা।  নিজের মোবাইলের ওয়াল পেপারে ছেলের ছবি। সোমবার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে একগাদা রেকর্ডে অন্য উচ্চতায় ওঠা ইনিংস প্রিয়তমা স্ত্রীকে উৎসর্গ করে টেনে এনেছেন ছেলের কথা

নিজের হতাশাটা চাপা রাখতে পারেন না। কোন না কোনভাবে করেন প্রকাশ মুশফিক।  হতাশায় মন খারাপ করা তার বৈশিষ্ঠ্য হয়ে গেছে। সে কারনেই সব সময় যার প্রেরনা সঙ্গে থাকে, তার জন্য বড় ইনিংস উৎসর্গ করবেন বলে  নিয়ত করে রেখেছিলেন-‘  আজকের সেঞ্চুরিটি  আগে থেকে পরিকল্পিত  ছিল।  বড় ইনিংস খেলতে পারলে ইনিংসটি  আমার সহধর্মিনীকে উৎসর্গ করব, সে পরিকল্পনা মাথায় ছিল। কারণ এটা আসলেই স্পেশাল। ওর অবদান অনেক বড়।  আপনারা জানেন, আমি মন খারাপ করে থাকি বা এটা করে থাকি। কিন্তু বিয়ের পর এটা আমার অনেক বেশি উন্নতি হয়েছে।’

আবেগী মুশফিকুরের এই পরিবর্তনের পেছনে সন্তানও রাখছে বড় অবদান-‘  বাচ্চা হওয়ার পর তো আরও বেশি। আর আমার ফোনের ওয়ালপেপারে ওর ছবি। একটু হাসি দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়।’ সন্তানের মুখের এই হাসি দিয়েই নিজের ক্যারিয়ারকে জয় করতে চান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here