আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন পেছানোর দাবি একেবারেই অযৌক্তিক। তারা নির্বাচন বানচালের জন্য এ দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের মতো বড় দল না চাইলে কিভাবে নির্বাচন পেছাবে? আরও দল আছে তারা তো চায়নি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন পেছানোর দাবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নয়, বরং বানচালের জন্য। পল্টনের সংঘর্ষ বিএনপির সেই নীল-নকশারই অংশ।

তিনি বলেন, কাল (বুধবার) আন্দোলনের নামে সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে বিএনপি। তারা পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। ভিডিও ফুটেজ আপনারা (সাংবাদিক) দেখেছেন। তারা পুলিশের গাড়িতে উঠে শেখ হাসিনার পতন চেয়েছে। এটা কেন? তারা আসলে নির্বাচনে যেতে চান না, তারা নির্বাচন বানচাল করতে চান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তবে আপনাদের ভাবতে হবে এর জন্য কে দায়ী? বিএনপি কর্মীরা সেখানে গাড়িতে আগুন ধরিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন এটা নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণায়কে বলতে পারে তদন্ত করার জন্য। আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেন। কালকের বিষয়টা নির্বাচন কমিশন দেখেছে। তারা সিদ্ধান্ত নেবেন এ ঘটনায় তারা কী করবেন।

কাদের বলেন, নির্বাচনী সুবাতাস কারা বিনষ্ট করছে? এখানে সরকারের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই। ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত। নির্বাচন নিয়ে ব্লুপ্রিন্টের টেস্ট কেস আমরা কাল দেখেছি। নির্বাচন বিনস্টের যে অশুভ তৎপরতা তা কাল প্রমাণ করেছে বিএনপি। তারা যদি নির্বাচন চান তাহলে তাদের এ অশুভ তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

খালেদার মুক্তি বিষয়ে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার বিসয়ে আমি সবিনয়ে বলবো এটা আদালতের বিষয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্ন করতে চাই, ‘হু ইজ দেয়ার পিএম ফেইজ’ এটা আমি জানতে চাই। এটা দেশবাসীও জানতে চায়। তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? ড. কামাল নাকি তারেক রহমান?

মন্ত্রীদের পদত্যাগ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলে কোনো কিছু সংবিধানে নেই। পৃথীবির সব দেশে যখন নির্বাচন হয় তখন বর্তমান সরকার দায়িত্বে থাকে। আর নির্বাচন কমিশন বাকি দায়িত্ব পালন করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের কাছে মাঠ পর্যায়ের সার্ভে রিপোর্ট রয়েছে সব দলের বিষয়ে। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে রয়েছে। আমরা এ সার্ভে রিপোর্ট থেকে নির্বাচনে বিজয়ের বিষয়ে আশাবাদী।

এসময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দুই তিনদিনের মধ্যে তাদের জোট সঙ্গীদের সাথে বসে দলের মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here