আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ আর পেছানো হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের দাবি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন জানিয়েছিলেন, সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানোর ব্যাপারে ইসি বিবেচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।

ইসি সচিব বলেন, ‘নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ, এছাড়া বিশ্ব এজতেমা ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করে থাকেন এবং লক্ষাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকে। সব দিক বিবেচনা করে এবং মাননীয় কমিশন চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ৩০শে ডিসেম্বরের পরে নির্বাচনের তারিখ পেছানো নির্বাচন কমিশনের নিকট যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত এবং বাস্তবসম্মত না হওয়ায় নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছে।’

সেনা মোতায়েনের বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি সেনাবাহিনী ভোটের ১০ দিন আগে কিংবা দু’দিন আগে মোতায়েন করা হবে। এক্ষেত্রে তাদের থাকার ব্যবস্থার বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য। তবে সেনাবাহিনী কখন, কীভাবে মোতায়েন হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী ডিসেম্বরের ৩০ তারিখ ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসির যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান ও খোন্দকার মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১২ নভেম্বর ঘোষিত পুনঃতফসিল অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর। এরপর ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের পর প্রার্থীরা ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। পরদিন ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে প্রার্থীদের প্রচারণা। এরপর ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here