ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লন্ডন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দুটি মামলায় দণ্ডিত পলাতক এরকম কেউ এভাবে ভিডিও কনফারেন্স করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে কিনা- আমি সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাইছি।’

রবিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মনোনীত প্রার্থী কারা হবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী চাই। যিনি উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী বলে বিবেচিত হবেন তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। এক্ষেত্রে যদি আওয়ামী লীগের বাইরে ১৪ দলের অন্য কাউকে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হয় তবে তাকেই আমরা মনোনয়ন দেবো। সেই প্রার্থী জাতীয় পার্টি কিংবা অন্য কোনও শরিক দলেরও হতে পারে।’

কাদের বলেন,’মনোনয়ন নিয়ে সবকিছুই ঠিক, এখন শুধু ফিনিসিং টাচটা বাকি আছে। আশা করছি, ৪-৫ দিনের মধ্যেই তালিকা প্রকাশ করা হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী যেটা বলেছেন তা হলো ৬৫ থেকে ৭০টি আসন শরিকরা পাবেন। যদি মনে হয় উইনিবল প্রার্থী বেশি আছে তাহলে সেটা বাড়ানো যেতে পারে।

সাংবাদিকদের অন্য একটি প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন আরও ভালো হবে, স্বচ্ছ হবে। শতভাগ স্বচ্ছ হবে তা বলতে পারি না। আমেরিকার নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন আছে। আরও অনেক দেশের নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন আছে। ‘

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here