অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩১ রান। অর্থাৎ ৬ বলেই বড় ব্যবধান। কিন্তু না, মুহূর্তেই জলে উঠলেন ব্যাটসম্যানরা। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে গ্যালারিতে আশা জাগিয়ে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

কেরারায় বৃষ্টির কারণে ১০ ওভারে নেমে আসা সিরিজের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২১ রানে হেরে গেছে অস্ট্রেলিয়া।

৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া করে ৮৭ রান। তার আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ৬ উইকেটে ১০৮ রান।

কুইন্টন ডি কক ও রিজা হেনড্রিকসের উদ্বোধনী জুটির ঝড়ো শুরুতে বড় স্কোরের আভাস দেয় প্রোটিয়ারা। ৩ ওভারের পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার এক বল বাকি থাকতে এই জুটি ভাঙেন নাথান কোল্টার নাইল। তাদের ৪২ রানের জুটি আসে মাত্র ১৭ বলে। ৩ চার ও ১ ছয়ে ৮ বলে ১৯ রান করেন হেনড্রিকস।

ডি কক ১৬ বলে করেন ২২ রান। প্রোটিয়াদের ব্যাটিং ঝড় ধরে রাখেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি। ১৫ বলে ২৭ রান করেন তিনি। হেনরিখ ক্লাসেনের ৬ বলে ১২ রান ছিল উল্লেখযোগ্য।

স্কোরটা আরও বড় হতে পারতো সফরকারীদের। কিন্তু এন্ড্রু টাই ও কোল্টার নাইলের শেষ ২ ওভারে মাত্র ১০ রান তোলে তারা। দুজনে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে অ্যারন ফিঞ্চ ও ক্রিস লিন আশা জাগানিয়া শুরু এনে দেন। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ফিঞ্চকে ফিরিয়ে ২১ রানের এই জুটি ভাঙেন লুঙ্গি এনগিদি। পরের ওভারে ক্রিস মরিস জোড়া ধাক্কায় মাঠছাড়া করেন ডি’আর্চি শর্ট ও লিনকে। রানের খাতা না খুলে বিদায় নেন শর্ট, আর ১৪ রান করেন লিন।

এরপর কেবল গ্লেন ম্যাক্সওয়েল একপ্রান্ত আগলে খেলেছেন। অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা যাওয়া আসার মিছিলে যোগ দেন। তাতে বেড়ে যায় প্রয়োজনীয় রান রেট, যেটা ছোঁয়া সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের। ম্যাক্সওয়েল ২৩ বলে ৩৮ রানে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন।

মরিস, এনগিদি ও অ্যান্ডাইল ফেলুকোয়াইয়ো দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here