এশিয়াতে খুব বেশি সিরিজ জেতা হয় না ইংল্যান্ডের। ২০১২ সালে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর সেই অসাধ্য আর সাধন করা হয়নি। অবশেষে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যান্ডিতে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে বিরল সেই কাজটি করে দেখিয়েছে জো রুটের দল। দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড জয় পেয়েছে ৫৭ রানে। তাতে তিন ম্যাচের সিরিজ জয়টা নিশ্চিত হয়েছে এক টেস্ট হাতে রেখে।

পাল্লেকেলে টেস্টের শেষ দিনে শ্রীলঙ্কার জিততে দরকার ছিল ৭৫ রান। হাতে ছিল ৩ উইকেট। কিন্তু রোববার সকালে বল হাতে নিয়েই ডিকভেলাকে ফিরিয়ে দেন মইন আলি। ঐ ওভারের দুই বল পরই এ ডানহাতি স্পিনার সাজঘরের পথ দেখান সুরঙ্গা লাকমলকে। এর কিছুক্ষণ পরই লঙ্কানদের শেষ ব্যাটসম্যান পুস্পকুমারাকে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরে প্যাভিলিয়নে পাঠান লিচ। তাতেই ৫৭ রানে জিতে আনন্দে মাতে ইংল্যান্ড।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট জিততে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ৩০১ রান। পাল্লেকেলে টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে শনিবার শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৭ উইকেটে ২২৬। উইকেটে ছিলেন ডিকভেলা (২৭*)। বলতে গেলে তার দিকেই রোববার তাকিয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। শুরুটা বেশ স্বাচ্ছন্দেই করেছিলেন এ ডানহাতি। আকিলা ধনাঞ্জয়াকে নিয়ে নিরাপদে ৪.৪ বল মোকাবেলা করেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেননি। ইনিংসের ৭১তম ওভারে মইন আলির প্রথম বলেই বড় শর্ট খেলতে গিয়ে এজ হয়ে স্লিপে বেন স্টোকসের হাতে ধরা ডিকভেলা (৩৫)। তাতেই পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে স্বাগতিকরা। এর এক বল পরই লাকমলকে বোল্ড করেন মইন। কিছুক্ষণ পরই পুস্পকুমারাকে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফেরান পাল্লেকেলে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ৫ উইকেট নেয়া অফস্পিনার লিচ। তাতে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ জয়ের উল্লাসে মাতে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের হয়ে ৮৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার বনে গেছেন লিচ। ৭২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন মইন আলি।

পাল্লেকেলে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দলের বিপদের সময় সেঞ্চুরি করেন জো রুট। স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here