রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে মধ্যম পাল্লার পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস সংক্রান্ত আইএনএফ চুক্তির ভবিষ্যত সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপ।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইইউ’র প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আইএনএফ চুক্তি রক্ষা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করার জন্য রাশিয়া ও আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানান।

মোগেরিনি বলেন, এই চুক্তি বাতিল হয়ে গেলে ইউরোপের নিরাপত্তা বিপন্ন হবে এবং সেরকম ঘটনা ঘটুক আমরা তা চাই না। অতীতের মতো ইউরোপ বহিঃশক্তিগুলোর যুদ্ধের খেসারত দিতে রাজি নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২০ অক্টোবর বলেছিলেন, ওয়াশিংটন আইএনএফ বাতিল করবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত সোমবার এ সম্পর্কে বলেন, আইএনএফ চুক্তি থেকে আমেরিকা একতরফাভাবে সরে গেলে দেশটির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেয়া হবে; কোনোমতেই তারা বিনা জবাবে পার পাবে না। পুতিনের এ হুমকির পর মঙ্গলবার মোগেরিনি এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।

স্নায়ুযুদ্ধ চলার সময় ১৯৮৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও রুশ নেতা মিখাইল গর্বাচেভের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়েছিল। চুক্তির আওতায় ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০ হতে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার পাল্লার পরমাণুবাহী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে দুই দেশ প্রায় ২,৭০০ মধ্যম পাল্লার পরমাণুবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here