মানুষ চাঁদে যাওয়ার প্রায় ৫০ বছর পরও এটি নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। কেউ কেউ মনে করেন চাঁদে মার্কিনিদের পা রাখার ওই ঘটনা সাজানো ছিল। আবার কেউ কেউ মনে সত্যিই চাঁদে পা রেখেছিল একজন মানুষ। কিন্তু ১৯৬৯ সালের ২১ জুলাই মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং  সত্যিই চাঁদে পা রেখেছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। খবর রাশিয়াটুডের।

মানুষের চাঁদে পা রাখার ঘটনা ভুয়া ছিল কিনা পৃথিবীর স্যাটেলাইট অর্থাৎ চাঁদে পরিদর্শন করলেই নাকি তার উত্তর পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন রুশ মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি রোজোজিন। আসলে মানুষের চাঁদে পদার্পণ নিয়ে জনপ্রিয় প্রশ্নের জবাবে মজা করে রোজোজিন বলেন, আমরা একটা কাজ নির্ধারণ করেছি-সেখানে (চাঁদ) গিয়ে পরীক্ষা করে দেখবো তারা (মার্কিনিরা) গিয়েছিল কিনা।

তিনি বলেন, মার্কিনিরা বলে তারা সেখানে গিয়েছিল। আমরা এটি খতিয়ে দেখবো।

সম্প্রতি রাশিয়ার লুনার প্রোগ্রামের রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৪ দিনের ওই মিশনে ২০৩০-র প্রথমদিকে প্রথমবারের মতো চাঁদে পা রাখবেন রুশ মহাকাশচারীরা।

চাঁদের কক্ষপথে তৈরি করা একটি রাশিয়ান স্পেস স্টেশন ব্যবহার করে রুশ মহাকাশচারীরা চাঁদে পদার্পণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে রোজোজিন বলেন, তার দেশ ২০২৫ সালের পর চাঁদে একটি স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে, যেটির পরিধি যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৬০ থেকে ১৯৭২ সালের ‘অ্যাপোলো’ প্রোজেক্টের চেয়েও বড়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here