কাজের চাপে কোনো কোনো সময় আমরা বিরিক্ত হয়ে পড়ি। এক ধরণের চাপা অবসাদ কাজ করে। এর প্রভাব পড়ে অফিসে-পরিবারে। যার তার সঙ্গে যখন তখন রাগ করার প্রবণতা চলে আসে। এমনটি আমাদের সহজাত। এই বিরক্তিভাব মানুষের সৃজনশীলতা নষ্ট করে দেয়। কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটায় চরমভাবে।

বিরক্তি-অবসাদ মন খারাপ দূর কার কিছু কৌশল আছে। যেগুলো অবলম্বন করলে আপনি মুহূর্তেই হয়ে উঠবেন চনমনে।  স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্টে এ নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

১. ঘুম

ঘুম শরীর-মন নিরাময়ের একটি চমৎকার উপায়। বিরক্ত ভাব কমানোর একটি কার্যকর উপায় ঘুম। খুব বিরক্ত লাগতে থাকলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এতে মেজাজ কিছুটা ঠান্ডা হবে।

২. চাপ কমান

দীর্ঘমেয়াদি চাপ শরীর ও মনের ওপর বাজে প্রভাব ফেলে। এতে সহজেই কোনো কিছুর ওপর বিরক্ত লাগতে পারে। চাপ কমাতে যোগব্যায়াম, গান শোনা, বই পড়া ইত্যাদি কাজ করতে পারেন।

৩. ব্যায়াম

মানসিক চাপ কমানোর একটি চমৎকার উপায় হলো ব্যায়াম। এ ক্ষেত্রে হাঁটা, দৌড়ানো এই বিষয়গুলো করতে পারেন। এমনকি নাচতেও পারেন। নাচলে কিন্তু মেজাজ ফুরফুরে হয়।

৪. সূর্যের আলো

আপনি কি জানেন, সূর্যের আলোর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘ডি’? আর আপনি কি এটা জানেন যে ভিটামিন ‘ডি’র মধ্যে রয়েছে মেজাজ ভালো করার উপাদান?

ত্বক সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে শরীর ভিটামিন ‘ডি’ পায়। তবে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টার রোদে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি বেশি থাকে। এ সময় সূর্যের আলোর সংস্পর্শে না যাওয়াই ভালো।

৫. মেডিটেশন বিরক্তি দূর করার অন্যতম উপায় হচ্ছে মেডিটেশন। ধ্যানে মানব মনে প্রশান্তি আনে। মুহূর্তেই চনমনে হয়ে উঠা যায়।

৬. খেলাধূলা

ক্রিকেট, ফুটবল, দৌড় যেকোনো শারিরীক কসরতে বিরক্তি ও অলসতা দূর হয়ে যায়। ফিরে আসে কর্মচাঞ্চল্য।

৭. প্রিয় মানুষের সঙ্গে কথা বলা

সবারই কিছু প্রিয় মানুষ থাকে। সে প্রেমিকা হোক, বন্ধু হোক কিংবা সহকর্মী হোক। তার সঙ্গে আপনার সমস্যাটি শেয়ার করুণ। দেখবেন বিরক্তি কেটে গেছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here