গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরব রেকর্ড পরিমাণ তেল উত্তোলন করে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইরানের তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে যাতে তেলের দাম বেড়ে না যায় সেজন্য রিয়াদকে তেল উৎপাদন বাড়াতে বলেছিল ওয়াশিংটন। সে আহ্বানে সাড়া দিয়ে সৌদি সরকার এ কাজ করে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, এরইমধ্যে দৈনিক এক কোটি ১২ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে সৌদি আরব। চলতি মাসের গোড়ার দিকে এই পরিমাণ ছিল এক কোটি ৮ লাখ ব্যারেল। এ ছাড়া, চলতি বছরের গোড়ার দিকে সৌদি আরব দৈনিক এক কোটি ব্যারেলের কম তেল উত্তোলন করত।

সৌদি আরবের এই অতিরিক্ত ৪ শতাংশ তেল উৎপাদনের ফলে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গিয়ে ব্যারেলপ্রতি ৫৮.৪১ ডলারে দিয়ে দাঁড়ায়। অথচ গতমাসের গোড়ার দিকে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অর্থাৎ ব্যারেলপ্রতি ৮৬.৭৪ ডলারে উঠেছিল। গতকাল (সোমবার) বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেল ৬০.৭১ ডলারে বিক্রি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই তার টুইট বার্তায় সৌদি আরবসহ অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোকে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

ইরান এর আগে তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার ব্যাপারে সৌদি আরবকে সতর্ক করে দিয়েছিল। ইরানের তেলমন্ত্রী বিজান জাঙ্গানে বলেছেন, গত জুন মাসে ওপেকভুক্ত দেশগুলো তেল উত্তোলনের সর্বোচ্চ যে সীমা নির্ধারণ করেছিল তা লঙ্ঘন করে যাচ্ছে রিয়াদ। জাঙ্গানে সৌদি তেলমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ’র কাছে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, দুঃখজনকভাবে আপনারা তেল উত্তোলনের ব্যাপারে মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here