তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানে পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে কাতার এয়ারওয়েজ।

কাতারের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত এই বিমান পরিবহন সংস্থা গতকাল (সোমবার) এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে, তারা আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দোহা ও ইরানের ইস্পাহানের মধ্যে সপ্তাহে দু’টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এ ছাড়া, জানুয়ারি থেকে শিরাজ ও তেহরানে পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

এয়ারলাইনের প্রধান নির্বাহী আকবার আল-বাকের বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এর আগে গতমাসে আল-বাকের ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের ওপর আমেরিকার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত ফ্লাইটগুলো পরিচালনা করে যাবে কাতার এয়ারওয়েজ।

এয়ারলাইন্সটির প্রধান নির্বাহী আরো বলেন, “বিমান খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া যায় না। ইরানের যেসব শহরে আমাদের ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে সেগুলো চলবে।” তিনি বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব ইরানে কাতার এয়ারওয়েজের তৎপরতার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে ইরানের ওপর আমেরিকার দ্বিতীয় দফা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর ওয়াশিংটন হুমকি দিয়ে বলেছে, যেসব দেশ বা কোম্পানি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

ওয়াশিংটনের এই হুমকির মুখে এরইমধ্যে ইরানে পরিচালিত ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে এয়ার ফ্রান্স, কেএলএম ও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের মতো প্রখ্যাত বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here