হলি অর্টিজানে হামলায় জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদায়ী ইতালিয়ান রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা। দেশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের কর্তব্য নিষ্ঠার প্রশংসাও করে তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর)  প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রদূত এই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিদায়ী ইতালিয়ান রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া আমাদের দেশে দীর্ঘ বিলম্বিত হলেও বাংলাদেশ এই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কার্য সম্পাদন করেছে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলি অর্টিজান বেকারির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।’

বৈঠক শেষে এসব কথা জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। তিনি জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশের ছবির মতন সুন্দর গ্রামীণ জনপদ বিশেষ করে বাঘেরহাট, খুলনা এবং মংলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো, খান জাহান আলীর মাজার এবং লালন শাহের মাজার ও সেখানে বাউল মেলা নিয়ে উচ্ছাস ব্যক্ত করেন ইতালির রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত এ সময় কাজের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের ইতালিতে বসবাসের প্রশংসা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের জীবনমানের পরিবর্তন এবং তাঁদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১লা জুলাই ঢাকার কূটনৈতিক পাড়ায় হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২২ জন নিহত হয়। যাদের মধ্যে ৯ জন ছিলেন ইতালির নাগরিক।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here