ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেছেন, তার দেশের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হলে পাকিস্তানকে সেক্যুলার শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করার পর এ শর্ত দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান।

জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, পাকিস্তান যেদিন ভারতের মতো একটি ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারবে সেদিন নয়াদিল্লির সঙ্গে আলোচনায় বসার যোগ্য হবে ইসলামাবাদ।

ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থার কথা থাকলেও বর্তমানে দেশটি শাসন করছে উগ্র হিন্দু মৌলবাদী দল বিজেপি।

ভারতের সেনাপ্রধান তার দেশের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ‘সীমান্ত অতিক্রমী জঙ্গি’ পাঠানোর জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে আরো বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও আলোচনা একই সময়ে চলতে পারে না।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চরম শত্রুতামূলক সম্পর্কে অন্যতম প্রধান কারণ কাশ্মির। বর্তমানে দু’দেশের সীমান্তে অবস্থিত কাশ্মিরের কিছু অংশ করে নিয়ন্ত্রণ করছে উভয় দেশ। কিন্তু দু’দেশই গোটা কাশ্মিরের মালিকানা দাবি করছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাশ্মির সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কাশ্মিরের জনগণকে গণভোটের মাধ্যমে তাদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার দিতে হবে। কিন্তু সিমলা চুক্তির অজুহাত দেখিয়ে ভারত এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ওই প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি হয়নি।

১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তিতে কাশ্মিরসহ সব দ্বিপক্ষীয় সমস্যা নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করতে প্রতিশ্রুতিব্ধ হয়েছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here