প্রথম ইনিংসে ১১১ রানে অলআউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের ঘূর্ণিতে প্রতিরোধ দিতে পারেনি। প্রতিরোধহীন ব্যাটিংয়ে ৩৯৭ রানে পিছিয়ে ফলো অন করতে নেমে পুরনো ব্যর্থতার নজিরই উপস্থাপন করেছে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রানেই হারায় প্রথম উইকেট।

ফলে ফলোঅনে পড়ে আবারও ব্যাটিংয়ে নেমেছে উইন্ডিজ।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ করেছে- ৪৬/৪

শুরতেই সাকিব এলবির ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান ক্যারিবীয়ান দলপতি কার্লোস ব্রাথওয়েইটকে। দলীয় ২ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ১৪ রানের মাথায় মিরাজ স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন কাইরন পাওয়েলকে (৬)। প্রথম ইনিংসে মেহেদি মিরাজ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে একাই তুলে নেন সাতটি উইকেট। সাকিব নেন তিনটি উইকেট।

এদিকে তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের শুরুতে মিরাজ ফিরিয়ে দেন শিমরন হেটমেয়ারকে (৩৯)। নিজের বলে নিজেই দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মিরাজ। দলীয় ৮৬ রানের মাথায় উইন্ডিজরা ষষ্ঠ উইকেট হারায়। স্কোরবোর্ডে আর দুই রান যোগ হতেই আবারো আঘাত হানেন মিরাজ। এবার ফিরিয়ে দেন দেবেন্দ্র বিশুকে। এর মধ্যদিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট পান মিরাজ। সাকিব নতুন ব্যাটসম্যান কেমার রোচের সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি। পরের ওভারে মিরাজ তার ষষ্ঠ উইকেট তুলে নেন, ফিরিয়ে দেন কেমার রোচকে। দলীয় ৯২ রানের মাথায় উইন্ডিজ তাদের অষ্টম উইকেট হারায়। দলীয় ১১০ রানে শেন ডরউইচকে (৩৭) এলবির ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। শেষ ব্যাটসম্যান শিরমন লুইসকে এলবির ফাঁদে ফেলেন সাকিব। মিরাজ সাতটি, সাকিব তিনটি উইকেট পান। এটাই মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা টেস্ট বোলিং।

বাংলাদেশ একাদশ :

সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম এবং নাঈম হাসান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ :

ক্রেইগ ব্রাথওয়েইট, কাইরন পাওয়েল, শাই হোপ, শিমরন হেটমেয়ার, সুনীল অ্যামব্রিস, রোস্টন চেজ, শেন ডরউইচ, শিরমন লুইস, দেবেন্দ্র বিশু, কেমার রোচ এবং জোমেল ওয়ারিকান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here