ফ্র‍্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি-টেন ক্রিকেট লিগের দল মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব নিয়ে আরব আমিরাতে অবস্থান করছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক বীরেন্দ্র শেবাগ। সেসময় গুঞ্জন উঠে রাজনীতি নাম লেখাচ্ছেন এই বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। তবে সেখান থেকে দেশে ফিরে বেজায় চটেছেন শেবাগ, পরে সেই রাজনৈতিক দলকেও নিয়েছেন একহাত!

ক্রিকেট ছাড়ার পর রাজনীতিতে পরবর্তী ক্যারিয়ার শুরু করেছেন এমন ক্রিকেটারের সংখ্যা নেহাত কম না। ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার শচিন টেন্ডুলকার, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, শ্রীলঙ্কার রানাতুঙ্গার, সনাৎ জয়াসুরিয়া মতো তারকারা নিজেদের ক্রিকেট খেলুড়ে অধ্যায়টা শেষ করার পর এখন থিতু হয়েছেন রাজনীতিতে। পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানতো আরো এককাঠি এগিয়ে হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রীই। আবার শোনা যাচ্ছিলো শেবাগের নামটাও।

তবে এসব একেবারেই উড়িয়ে দিলেন ৪০ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার। সঙ্গে তার অনুমতি না নিয়েই যারা এমন প্রচারণা রটিয়েছেন তাদেরকেও ‘মিথ্যাবাদী’ বলে আখ্যায়িত করলেন ভিরু। ঘটনার সূত্রপাত মূলত ভারতের রাজস্থানের ‘রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক দল’ নামের একটি স্থানীয় রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে।

যেই বিজ্ঞাপনে দেখা যায় দলীয় নেতাদের সঙ্গে ভারতীয় সাবেক ওপেনার বীরেন্দ্র শেবাগের নাম। কিন্তু এর জন্য তাঁর কোনও অনুমতিই নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন শেবাগ। রাজনৈতিক প্রচারের জন্য যে ভাবে বিনা অনুমতিতে তাঁর নাম ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে বেজায় চটেছেন তিনি। পরে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে বিজ্ঞাপন-সহ সংবাদপত্রের সেই ছবি পোস্ট করে সেই রাজনৈতিক দলকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলতেও ছাড়েননি শেবাগ।

যেখানে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে শেবাগ লিখেছেন, ‘মিথ্যেবাদীদের চিনে নিন! আমি দুবাইতে ছিলাম। এদের কারোর সঙ্গেই আমার পরিচয় নেই। যারা প্রচারের জন্যেই এত মিথ্যে কথা বলতে পারে, তারা ক্ষমতায় এলে আরও কত মানুষকে ঠকাবে! মিথ্যে এবং লোক ঠকানোর থেকে খারাপ কিছুই নেই।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here