শুক্রবার নিউ ইয়র্কের প্রসিকিউটররা মাইকেল কোহেনের বিরুদ্ধে শাস্তির মেয়াদের বিষয়ে একমত হয়েছেন। আগামী বুধবার এই সাজা ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনি প্রচারণার আর্থিক আইন, কর ফাঁকি ও কংগ্রেসকে মিথ্যা দেওয়ার কারণে কারাদণ্ড পাওয়া উচিত বলে মনে করেন প্রসিকিউটররা।

মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে উঠে এসেছে, ট্রাম্পের নির্দেশনায় কোহেন দুই নারীকে টাকা দেন। ওই নারীদের সঙ্গে ট্রাম্পের যৌন সম্পর্ক ছিল এবং তা সম্পর্কে কথা না বলতেই এই টাকা দেওয়া হয়। যা নির্বাচনি প্রচারণার আর্থিক নীতির লঙ্ঘন। তদন্তকারীরা কোহেনের চার বছর কারাদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন।

তদন্তে নতুন এই অগ্রগতির ফলে নতুন করে বিপাকে পড়লেন ট্রাম্প। কারণ কোহেন প্রায় এক দশক ধরে তার আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০১৭ সালের মার্চে মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়ে তদন্ত নিয়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে বারবার তার আইন কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেন।

তখন থেকে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণা শিবির ও মস্কোর মধ্যে সম্ভাব্য যোগাযোগের বিষয়ে প্রমাণ অনুসন্ধান শুরু করেন বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট মুলার। আইন মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে বিস্তৃত এই তদন্তের কারণে ট্রাম্পের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here