বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বিএনপি ২০০১ সালের পর যখন ক্ষমতায় ছিল তখন মানুষের ওপর সীমাহীন অত্যাচার করেছিল। গ্রামগঞ্জের মানুষ সেই অত্যাচারের কথা ভুলেনি। এবার মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে সেই নির্যাতন, অত্যাচার ও মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠনের জবাব দেবে।’

সোমবার ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। তিনি ভোলা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তোফায়েল আহমেদের হাতে দলীয় নৌকা প্রতীকের কাগজ তুলে দেন।

এছাড়া ভোলার চারটি আসনের জন্য আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছে প্রতীক বরাদ্দের কাগজ হস্তান্তর করা হয়।

এসময় তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আজ থেকে আমাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলো। জনগণের কাছে যাব। আশা করি ভোলার চারটি আসনে আবার আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও সরকার গঠন করবে।’

নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিক ইশতেহার দেবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী, ২০২১ সাল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এসব সামনে রেখে ইশতেহার সাজানো হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভোলা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেত। পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ভোলাকে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। পাকিস্তান আমলে ভোলায় একটিও পাঁকা রাস্তা ছিল না, এখন সব রাস্তা পাঁকা হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। ভোলা-বরিশাল সেতুও খুব দ্রুত করা হবে।

‘বাংলাদেশের যে উন্নয়ন তা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশকে বলা হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল। একটি সরকার ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকলে যে উন্নয়ন হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি যদি আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আবারও প্রধানমন্ত্রী হন তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন যে কোথায় যাবে তা এই মুহূর্তে বলে বুঝানো যাবে না,’ যোগ করেন তোফায়েল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here