বিএনপি বিভিন্ন আসনে যুদ্ধাপরাধী, তাদের আত্মীয় ও দুর্নীতিবাজদের মনোনয়ন দিয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের তাদের পক্ষে ভোট না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধী বা তাদের স্বজন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিতদের স্ত্রী বা স্বজন এবং দুর্নীতিবাজদের তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বানাতে চায়। কিন্তু জাতি তা আশা করে না।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনগণ তা কখনো মেনে নিতে পারবে না। আমি মনে করি এবিষয়ে তাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত যাতে এসব অপরাধীরা কখনো ভোট না পায়। তাদের পক্ষে কখনো ভোট না দিতে আমি জনগণের প্রতি আহ্বান জানাই।’

তিনি প্রশ্ন করেন- বিএনপিতে কি যোগ্য লোক ছিল না, তারা কি অপরাধী ছাড়া যোগ্য লোক খুঁজে পায়নি নাকি দলটি অপরাধকে ‘যোগ্যতা’ হিসেবে বিবেচনা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যদি নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে তবে দেশ আবারও উল্টোপথে যাত্রা শুরু করবে।

যাদের অপরাধ ও দুর্নীতি প্রমাণিত ড. কামাল, কাদের সিদ্দিকী কিভাবে তাদের সঙ্গে হাত মেলান-এমন প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তার পরিবারের কারও বিরুদ্ধেই দুর্নীতির কোন অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি।

দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতার স্বার্থে আবারও নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের সাংবাদিকের ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘খামোশ বললেই মানুষের মুখ বন্ধ হবে না। লজ্জা কম বলেই সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তারা খামোশ বলতে পারেন।’

সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here