শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে ইমার্জিং এশিয়া কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে শ্রীলঙ্কা। ভারত অনুর্ধ্ব-২৩ দলকে মাত্র ৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলঙ্কা অনুর্ধ্ব-২৩।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শনিবার (১৫ নভেম্বর) টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭০ রান করে স্বাগতিকরা। জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৭ রান তুলতে সক্ষম হয় ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। হেরে যায় ৩ রানে।

টস জিতে আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেটে ২৭০ রান জমা করে স্কোরবোর্ডে। তারপর শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ৯ উইকেটে ভারতকে আটকে দেয় ২৬৭ রানে।

২৭১ রানের টার্গেট দিয়ে শ্রীলঙ্কার বোলাররা ১২৭ রানেই ভারতের ৬ উইকেট তুলে নেয়। সহজ জয়ের আভাস পাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু তাদের ঘাম ঝরিয়েছে সপ্তম উইকেট জুটি।

শামস মুলানির সঙ্গে অধিনায়ক জয়ন্ত যাদব ১০৭ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। কিন্তু ৪৭তম ওভারে তাদের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম বলে ৭১ রানে আসেলা গুনারত্নের শিকার হন জয়ন্ত। ৪৬ রানে দারুণ নৈপুণ্যে শামসকে রানআউট করে শেহান জয়াসুরিয়া। এরপর অঙ্কিত রাজপুত নিজের প্রথম বলে বোল্ড হন।

২৩৮ রানে ৯ উইকেট হারালেও শ্রীলঙ্কাকে স্বস্তি দেননি আতিত শেঠ ও মায়াঙ্ক মারকান্দের শেষ জুটি। আতিতের ঝড়ো ইনিংসে শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। ‍দুটি ছয় মারেন এই লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান। কিন্তু শেষ বলে প্রয়োজনীয় ছয়ের দেখা পাননি আতিত। ২ রান নেন দৌড়ে।

আসেলা সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। শেহান ও লাসিথ আম্বুলদেনিয়া পান দুটি করে উইকেট।

তার আগে ইনিংসের প্রথম ওভারে উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাঁড়ায় দুই ফিফটিতে। ওপেনার হাসিথা বোয়াগোদার পর মিডল অর্ডারে হাফসেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরা হন কামিন্দু মেন্ডিস। ৬১ রান করেন তিনি। আর হাসিথার ব্যাটে আসে ৫৪ রান। শেহান করেন ৪৬ রান। শেষ দিকে ওয়ানিদু হাসারাঙ্গার অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংস ছিল দারুণ কার্যকরী।

ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন অঙ্কিত। চার ম্যাচে তিন ফিফটিতে টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন কামিন্দু।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here