খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথোপকথনে জটিলতা দূর করতে বাংলা ভাষা শিখছেন টাইগারদের ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডস। ইংরেজিতে কথা বলার সময়ও থাকছেন সচেতন। দ্রুতগতির ব্রিটিশ ইংরেজি পরিহার করে কথা বলছেন ভাঙা ভাঙা শব্দে, যাতে ক্রিকেটারদের কথার অর্থ বুঝতে অসুবিধা না হয়।

পায়ের আঙুলে বলের আঘাতে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বিশ্রামে থাকায় উইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসেন রোডস। প্রশ্ন থাকল ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষাগত পার্থক্য কাজটা কঠিন করে তোলে কিনা? জবাবে টাইগার কোচ জানালেন, বাংলা ভাষা শেখাও তার কোচিংয়ের একটি অংশ।

‘আমি আমার কাজটা(কোচিং) প্রতিনিয়ত শিখে যাচ্ছি। মাঝেমাঝে কঠিন হয়ে পড়ে। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা অনেকসময় প্রতিবন্ধকতায় ফেলে। বাংলা ভাষা শেখার চেষ্টাও করছি। যদি খানিক শিখতে পারি সেটি কোচিংয়ে সহায়ক হবে। কিছু কিছু প্রয়োগ করারও চেষ্টা করছি। এখন যেটা করি, যখন তাদের কিছু বোঝাই(ইংরেজিতে) খুব আস্তে আস্তে কথা বলি। যখন কঠিন কিছু নিয়ে আলাপ করি, মন্থর গতিতে কথা বলি এবং সেটি তারা খুব পছন্দ করছে।’

বাংলাদেশের কোচ হয়ে ৬ মাস অতিবাহিত করেছেন রোডস। সময় গড়ানোর সঙ্গে ৫৪ বছর বয়সী এ কোচের অধীনে থাকা বাংলাদেশ পাচ্ছে একের পর এক সাফল্য। এবার তো টাইগার ক্রিকেটের নতুন ইতিহাসের সঙ্গে নিজের নাম লেখানোর হাতছানি রোডসের।

উইন্ডিজের বিপক্ষে সোমবার শুরু হওয়া তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ বগলদাবা করতে পারলে কোনো পূর্ণাঙ্গ সিরিজে তিন সংস্করণেই সিরিজ জয়ের নতুন গৌরবে নাম লেখাবে বাংলাদেশ। টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জেতা হয়ে গেছে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে। টি-টুয়েন্টিতে তারা বর্তমান বিশ্বসেরা। লড়াই তাই কঠিন হবে মনে করলেও কোচ বলছেন সাফল্য সম্ভব।

‘অবশ্যই সম্ভব। হার-জিতের ব্যাপারটি কারও জানা থাকে না। আমি আগেই বলতে পারছি না, টি-টুয়েন্টি সিরিজ কেমন হবে। তবে দলের সবাই একাট্টা হয়ে বলতে পারি আমরা জিততে মরিয়া হয়ে লড়ব।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here