‘দল যেভাবে শর্ট বল খেলেছে এটা নিয়ে আমার কোনো উদ্বেগ নেই। বরং আমি মনে করি আসল বিপদটা হয়েছে অতি আত্মবিশ্বাসে, আগুনের সঙ্গে আগুন নিয়ে খেলতে গিয়ে। কখনো কখনো আপনাকে আক্রমণ থেকে বিরতি নিতে জানতে হয়। সেটাই আমরা পারিনি।’ তিন ম্যাচ টি-টিয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সিলেটে উইন্ডিজের বিপক্ষে রীতিমত নাস্তানাবুদ হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটাই বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পরামর্শক নেইল ম্যাকেঞ্জি।

সিলেটে ম্যাচ হারের জন্য পুরো দায়টাই যেয়ে পড়েছে টাইগার ব্যাটসম্যানদের উপর। যেমনটা বলছিলেন ম্যাকেঞ্জি, অতি আত্মবিশ্বাসে ভুগে ক্যারিবিয়ান পেসারদের দেওয়া ‘শর্ট’ বলের টোপ গিলে একে একে ফিরেছেন লিটন, তামিম, সৌম্য, সাকিবরা। যা হওয়ার হয়েছে তাই। খেসারত স্বরূপ ম্যাচ হারতে হয়েছে বিশাল ব্যবধানে। সিলেট থেকে এবার সিরিজে ফেরার লড়াইতে ঢাকাতে পা দিয়েছে বাংলাদেশ দল।

সেখানে দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী ২০ ডিসেম্বর মাঠে নামার আগে আজ (বুধবার) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। সেখানেই সৌম্যকে প্রশ্ন করা হয়, প্রথম ম্যাচে শর্ট বলে উইকেট বিলিয়ে এসেছে বাংলাদেশ দল। এই শর্ট বলে ব্যাটসম্যানরা আউট হয়েছেন কি সাহসিকতা দেখাতে যেয়ে নাকি এই শর্ট বলে কোন দুর্বলতা আছে?

জবাবে সৌম্য বলেন, ‘সাহস বলতে শর্ট বল খেলা আসলে….। আর কুইক বলে শট বল খেলা একটু টাফ থাকে। আমি সাহসিকতা এজন্য বলবো যে আমরা ভয়ে আউট হয়েছি কীনা আপনারাও দেখছেন, আমরা ভয়ের জন্য কিন্তু না। আমরা খেলতে যেয়ে আউট হয়ে গেছি। তো টেস্ট ম্যাচ হলেতো একটা কথা থাকে, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে আপনাকে খেলতে হবে। শর্ট বল না খেললে আসলে রানের ক্ষেত্রে আপনার একটা স্কোরিং শট কমে যাবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এখানে ভয়ের কোন কিছু নাই। আসলে শর্ট বল খেলতে হবে। আর আমরা অনেক ইম্প্রুভ করেছি, আপনারাও দেখেছেন যে লাস্ট যতগুলা ম্যাচ হয়েছে আমরা কিন্তু কেউই শর্ট বলে ওইরকম আউট হয়নি। তো শর্ট বলতো অবশ্যই খেলতে হবে।’

একই সাথে কন্ডিশনের সাথে নিজেদের খেলার ধরণ টেনে এনে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান জানান, ‘আমাদের যে কন্ডিশনে খেলা হয়, এখানে আমরাতো স্পিন খেলি। তো হঠাৎ আপনি যখন একটা কুইক বোলারের উপরে যেয়ে পড়বেন, খেলতে গেলেতো আর্লি স্টেজে একটা সমস্যা হয়। কিন্তু ওইটাতো আমাদেরকেই খেলতে হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here