মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে তার দেশের সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, সিরিয়ায় মার্কিন সেনা পাঠানোর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের উপস্থিতি যে গোষ্ঠী এরইমধ্যে পরাজিত হয়েছে। তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনকে ‘অবিলম্বে’ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

অবশ্য পেন্টাগনের কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে একথা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প যাতে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ না দেন; কারণে এর ফলে সিরিয়ায় তাদের ভাষায় ইরান ও রাশিয়ার প্রভাব উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়ে যাবে।

সিরিয়ায় দায়েশ বিরোধী কথিত যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য দামেস্কের অনুমতি ছাড়াই দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা। তবে দায়েশ নির্মূল হয়েছে ইরান ও রাশিয়ার সহযোগিতায় সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অভিযানে। মার্কিন সেনাদের এ কাজে তেমন ভূমিকা ছিল না। সিরিয়ায় সেনা পাঠানোর পর মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, দেশটি দায়েশকে উৎখাত করতে কয়েক দশক পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

এ ছাড়া, দায়েশ বিরোধী যুদ্ধ বিষয়ক মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি ব্রেট ম্যাকগভার্ন কয়েকদিন আগে বলেছিলেন, “দায়েশ কখনো নির্মূল হয়ে যাবে না। কাজেই সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার জন্য আমাদেরকে সেখানে সেনা মোতায়েন করে রাখতে হবে।”

কিন্তু সে পরিকল্পনা বাতিল করে শেষ পর্যন্ত সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here