স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে বসুন্ধরা কিংস।  বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের গোলে ফেভারিট শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রকে ২-১  গোলে হারিয়ে শিরোপার উল্লাস করে তারা। টুর্নামেন্টের সেরা দুই দলের লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে সমতা ছিল। অতিরিক্ত সময়ে বসুন্ধরার বদলি খেলোয়াড় মতিন মিয়া জয়সূচক গোল করে আনন্দে ভাসান দলটির সমর্থকদের।

ফাইনালের শুরুতে দুই দলই সতর্কভাবে শুরু করে। এ সময় উভয় দল নিজেদের রক্ষণভাগ সামলে রেখে পাল্টা আক্রমণ নির্ভর খেলা খেলতে থাকে। ম্যাচের ১৬ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দর্শনীয় শটে শেখ রাসেল গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বসুন্ধরা কিংসকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন বিদেশি খেলোয়াড় মার্কোস। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে শেখ রাসেল খেলার সমতায় ফিরে। বিদেশি রাফায়েলের দর্শনীয় গোলে ম্যাচে ফিরে তারা (১-১)।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঝমাঠ জমাট রেখে কুশলী ফুটবল খেলতে থাকে বসুন্ধরা। অধিকাংশ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখে বারবার শেখ রাসেলের বিপৎসীমানায় উঠে গেলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। শেখ রাসেলও পাল্টা আক্রমণে বেশ কয়েকবার বসুন্ধরা সীমানায় হানা দেয়। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোল পেতে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ।

অতিরিক্ত সময়ে খেলার শুরুতেই বদলি খেলোয়াড় মতিন মিয়া ডি-বক্সের ভেতরে জটলা থেকে শেখ রাসেলের ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে ডান পায়ের শটে আড়াআড়ি গোলে বসুন্ধরার জয় নিশ্চিত করেন। এরপর আর কোনো দল গোল করতে ব্যর্থ হলে ২-১ গোলের জয়ে টুর্নামেন্টে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় বসুন্ধরা কিংস।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here