রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রবাহী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবেলা করতে গবেষণা জোরদার করবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রে দিয়ে হামলা এবং হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা উভয়ক্ষেত্রের গবেষণা জোরদার করা হবে।

রাশিয়া সম্প্রতি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর জবাবে এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে আমেরিকা। পেন্টাগনের এক মুখপাত্র ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেন, হাইপারসোনিক প্রযুক্তিকে রণক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য রাশিয়া এবং চীন অব্যাহত গবেষণা করছে। এতে মার্কিন আধিপত্যে ধস নেমেছে। তারই মোকাবেলায় এ ক্ষেত্রে গবেষণা চালানো হবে বলে পেন্টাগনের মুখপাত্র লে. কর্নেল মিশেল বাল্ডানজা দাবি করেন। ২০২৮ সালের মধ্যে হাইপারসোনিক অস্ত্র যুদ্ধে ব্যবহারের উপযোগী করা হবে বলে উল্লেখ করে তিনি।

রাশিয়ার সেনাবাহিনী এর আগে সেদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় ‘উরাল’ পার্বত্য এলাকা থেকে হাইপারসনিক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের নিক্ষেপ করেছে। এটি ছয় হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রাশিয়ারই ‘কামচাটকা’ অঞ্চলের ‘কুরা’ শুটিং এলাকায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়। এই সফল পরীক্ষা চালানোর পর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশ সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আগামী বছর এ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়া মোতায়েন করবে বলে ঘোষণা করেছিলেন তিনি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here