একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা শপথ না নিলে তারা জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করবেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষবর্ধণ শ্রিংলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নোয়াখালীতে নারী ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেউ রেহাই পাবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এ ঘটনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি এ ঘটনাটি সেদিনই জেনেছি। ওই নির্বাচনী এলাকা আমার নয়, কিন্তু আমার জেলায়। এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত হোক কেউ পার পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার মনোভাব জানি। অলরেডি পুলিশের আইজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ডিআইজি সম্ভবত স্পটে গেছেন। সেনাবাহিনীর ওই অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররাও বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখছেন। প্রশাসনও তৎপর।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি বলতে পারি সরকার এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছে। এখানে অপরাধী যেই হোক শাস্তি তাকে পেতেই হবে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এরআগে গতকাল মঙ্গলবার জনগণের রায় মেনে নিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী নেতাদের শপথ নেয়ার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার (০৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ গ্রহণের জন্য ২৯৮ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট সংসদ সচিবালয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত প্রার্থীরা শপথ নাও নিতে পারেন বলে বিভিন্ন সূত্রে আভাস মিলেছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের কমিশন সচিবালয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন বসবে। অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে শপথ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এরমধ্যে কেউ যদি শপথ নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওই আসন শূন্য হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here