আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশারাফুল ইসলামের প্রথম জানাজা রবিবার সকালে সম্পন্ন হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমাগার থেকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনা হয়।

সেখানে আওয়ামী লীগের এই বর্ষীয়ান নেতাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষ থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফের জানাজায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, আওয়ামী লীগ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশ নেন।

সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জ নিয়ে যাওয়া হবে এবং দুপুর ১২টায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে মরদেহ ঢাকায় ফিরিয়ে এনে বিকালে বাদ আছর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ ব্যাংকক থেকে ঢাকায় আনা হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন।

বিমানবন্দর থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ বেইলি রোডের সরকারি বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আশরাফের মরদেহ রাতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ দীর্ঘদিন ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগে বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের এক হাসপাতালে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফ। এর আগে ওই আসন থেকে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন তিনি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here