ইরাকের কয়েকজন সংসদ সদস্য ইহুদিবাদী ইসরাইল সফর করেছেন বলে খবর বের হওয়ার পর দেশটিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইরাকের বহু সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং কেউ কেউ এ ঘটনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা বলছেন, ইসরাইল সফর করা ইরাকের বর্তমান নীতিতে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করার সমতুল্য।

গত রোববার ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১৮ সালে ইরাকের তিনটি প্রতিনিধিদল অধিকৃত ভূখণ্ড সফর করেছে। মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইরাকের ১৫ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ইসরাইলের সরকারি কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এসব ব্যক্তি পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে “হলোকাস্টের স্মৃতিস্তম্ভও’ পরিদর্শন করেন। ইসরাইলের মন্ত্রণালয় ইরাকি সংসদ সদস্যদের কারো নাম-পরিচয় প্রকাশ করে নি তবে সর্বশেষ সফর গত ডিসেম্বর মাসে হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

ইরাকের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন আন-নোজাবার উপ মহাসচিব নাসর আশ-শাম্মারি বাগদাদ আল-ইয়াউম ওয়েবসাইটকে বলেছেন, এ খবর সত্যি হলে সফরকারী সংসদ সদস্যদেরকে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে।

ইরাকি সংসদের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি বলেছে, ইরাকের ভেতরে গোলযোগ সৃষ্টির জন্য ইসরাইল এই খবর প্রচার করেছে। কমিটির সদস্য ফুরাত আত-তামিমি বলেন, পররাষ্ট্র কমিটি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যকার আসন্ন বৈঠকে  ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, যদি এ ধরনের সফর হয়ে থাকে তাহলে এর দায়-দায়িত্ব নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের ওপর বর্তায়।

এদিকে, ইরাকের খ্যাতিমান রাজনীতিক ও ইরাকের আল-কারার জোটের নেতা আসিল আন-নুজাইফি এ সফরের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি সফরে ছিলেন বলে খবর বের হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here