গত ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরিতে পেয়েছেন সাহস মিরাজ। মুমিনুলের সঙ্গে নেমেছেন ওপেনিংয়ে। উপরের দিকে ব্যাট করার সামর্থটা টানা দ্বিতীয় ম্যাচে দেখিয়েছেন রাজশাহী কিংস অধিনায়ক মিরাজ। খেলেছেন ১৭ বলে ৬ বাউন্ডারিতে শোভিত ৩০ রানের ইনিংস।

তবে টেল এন্ডার লংকান উদানা ছাড়া (৩০ বলে ৩২) মিরাজকে অনুকরন করতে পারেননি দলের অন্য কেউ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স লেগ স্পিনার শহীদ আফ্রিদির বোলিংও ( ৪-১-১০-৩) ভুগিয়েছে দলটিকে।

দিনের প্রথম ম্যাচে যেখানে ১৮৩/৯ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ১৮১/৯ স্কোর উঠেছে, সেখানে দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহী থেমেছে ১২৪/১০। এমন ম্যাচে স্মিথহীন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এর নিয়মিত ওপেনার তামীমকে ৩ নম্বরে নামিয়ে পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়েছে বিজয়-লুইস। পাওয়ার প্লেতে উইকেটহীন ৫১ রানের এই জুটি থেমেছে ৬৫ তে। ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ইভিন লুইস ২৮ রানে। ৩২ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় ৪০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস শেষে বিজয় ফিরেছেন ড্রেসিংরুমে। ২১ রানে এসে তামীম কাঁটা পড়েছেন মিরাজের বলে।

তবে এই তিন টপ অর্ডার ফিরে যাওয়ার পর শেষ ৩৬ বলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ২৪ রানের টার্গেটা কঠিন করে দিয়েছে মিরাজের দল। শোয়েব মালিক(২) এবং ইমরুল কায়েস (৬) ঝটপট বিদায় নিলে ফিনিংশটা কঠিন হয়ে পড়ে কুমিল্লার। তবে লিয়াম ডসন দিয়েছেন সামাল ( ৯ বলে ১২ নট আউট )। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন আফ্রিদি (৫ বলে ৯)। তাতেই ৫ উইকেটে জয়ে ফিরেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে খেলতে নামা রাজশাহীর ব্যাটিংটা ছিলো নিষ্প্রভ। ৬৩ রানে ৭ উইকেট পড়ে গেলে অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার বিপদে মুখে ছিলো রাজশাহী। সেই অবস্থান থেকে ইসুরু উদানার ৩২ আর জাকির হাসানের ২৭ রানে ভর করে শত রান পার করেছে রাজশাহী। উদানা ১৮.৫ ওভারে বিদায় নিলে ১২৪ রানে গুটিয়ে যায় তারা। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ওপেনিংয়ে নেমে দারুণ কিছুর সম্ভাবনা দেখালেও ১৭ বলে ৩০ রানে ফিরে গেছেন।

রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনে মূল আঘাতটা হানেন আফ্রিদি। ১০ রানে নেন ৩ উইকেট। দুটি করে নেন আবু হায়দার, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ডসন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here