তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্টেও হারলো পাকিস্তান। জোহান্সবার্গ টেস্টে ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো সরফরাজরা। আগের দুটি টেস্টের প্রথমটিতে ৬ উইকেটে ও দ্বিতীয়টিতে ৯ উইকেটে জিতেছে প্রোটিয়ারা। তবে পার্থক্য এতটুকুই, প্রথম দুটি ম্যাচে কোনো লড়াই করতে পারেনি পাকিস্তান। এবার সাদাব খান একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করে গেছেন। তার কল্যানের হারের ব্যবধানটা কিছুটা কম হয়েছে।

জোহানেসবার্গ টেস্টের তৃতীয় দিনে রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৮১ রানের বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে পাকিস্তানকে। টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে সাড়ে তিনশর বেশি রান তাড়া করে জয় রেকর্ড আছে মাত্র ১০টি। আর ৩৮০ রানের বেশি তাড়া করে দলগুলো জয় পেয়েছে কেবল ৭টি টেস্টে।

কিন্তু পাকিস্তানের অনুপ্রেরণা হতে পারে ২০১৫ সালের পাল্লেকেল্লে টেস্ট। সেবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭৭ রান তাড়া করে ৩ উইকেটে ৩৮২ রান তুলে জিতেছিল পাকিস্তান। গড়েছিল সাদা পোশাকে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়ার রেকর্ড। সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ৩৮১ রান করতে পারলেই কেবল হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পারবে পাকিস্তান।

এদিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০৩ রানে অলআউট হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর সঙ্গে প্রথম ইনিংসে পাওয়া ৭৭ রানের লিডের কল্যাণে পাকিস্তানকে ৩৮১ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেটে ১৫৩ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য ৭ উইকেট হাতে নিয়ে তাদের দরকার আরও ২২৮ রান।

গতকাল দ্বিতীয় দিনে ১৩৫ রান করতে ৫ উইকেট খুইয়েছিল স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিন সকালে দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক দলীয় ১৯৫ রান পর্যন্ত ছিলেন অবিচ্ছিন্ন। আমলা ৭১ রান করে আউট হন। এরপরে পুরো দায়িত্বটা নিজের কাঁধে নিয়ে ডি কক খেলে যান। প্রায় দীর্ঘ দুই বছর পরে টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরিতে তার ব্যাট থেকে আসে ১২৯ রান। শেষ ৪ ব্যাটসম্যানকে নিয়েই ১০৮ রান যোগ করেন ডি কক। দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০৩ রানে অলআউট হয়। পাকিস্তানের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন ফাহিম আশরাফ ও শাদাব খান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here