পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পেশোয়ার শহর থেকে আফগানিস্তানের একজন সিনিয়র তালেবান নেতাকে আটক করা হয়েছে। আফগান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে এই গোষ্ঠীর ওপর চাপ প্রয়োগের লক্ষ্যে ইসলামাবাদ এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তালেবান মনে করছে।

আটক তালেবান নেতা হাফেজ মোহিবুল্লাহ ২০০১ সালে ইঙ্গো-মার্কিন হামলায় পতন হওয়া তৎকালীন তালেবান সরকারের ধর্মমন্ত্রী ছিলেন।

মার্কিন সরকার বহুবার অভিযোগ করেছে, আফগান তালেবানের জন্য পাকিস্তান একটি অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তান অবশ্য আফগানিস্তানে নিজের প্রভাব ধরে রাখার জন্য তালেবানকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার  করছে।

আমেরিকার আফগান বিষয়ক বিশেষ দূত জালমাই খালিলযাদের পাকিস্তান সফরের আগ মুহূর্তে হাফেজ মোহিবুল্লাহ’কে আটক করা হলো। খালিলজাদ সম্প্রতি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে তালেবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন।

আফগানিস্তানের ১৭ বছরের সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে তালেবানকে শান্তি প্রক্রিয়া মেনে নিতে উৎসাহিত করার কাজে পাকিস্তানের সহায়তা চায় আমেরিকা।

আফগানিস্তানের তালেবান সূত্র বিবিসিকে বলেছে, হাফেজ মোহিবুল্লাহ বেশ কয়েক বছর ধরে পেশোয়ারে বসবাস করে আসছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তালেবানের দু’জন পদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানে খালিলজাদের সফরের সময় তালেবানকে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসতে বাধ্য করার লক্ষ্যে মোহিবুল্লাহকে আটক করা হয়েছে।

তালেবান কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেও আশরাফ গনির নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। তারা বলছেন, মার্কিন সরকারের ‘ক্রীড়নক’ আফগান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় না বসে সরাসরি আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করাই ভালো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here