দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততায় প্রেশার কুকার রান্নার দুর্ভোগকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। অনেকেই প্রেশার কুকারে ভাত রান্না, ডালসহ বেশির ভাগ রান্না করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি? প্রেশার কুকারে সব ধরণের রান্না করা উচিত নয়!

এমনকি কিছু খাবার রান্নার সময় বিপদও ঘটতে পারে। সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিন-

১. দুধ বা দুধ দিয়ে তৈরি কোনো খাবার প্রেশার কুকারে রান্না করা উচিত নয়। কারণ দুধ গরম করার জন্য গ্যাসে দিলে উতলে উঠে। সেজন্য দুধকে কখনো প্রেশার কুকারে দিয়ে বিপদ ডেকে আনবেন না। এছাড়াও দুধ জাতীয় কোনো রান্না প্রেশার কুকারে করলে নানা রকম বিপদও ঘটতে পারে।

২. মাছ প্রেশার কুকারে রান্না করা উচিত নয়। কারণ প্রেশার কুকারে বেশি সময় ধরে মাছ রান্না করলে বা মাছে বেশি নরম হলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। আর মাছ বেশি সেদ্ধ হলে ভেঙে যায়।

৩. অনেক সময় একবারে অনেকগুলো ডিম সেদ্ধ করার হলে প্রেশার কুকারে দেয়া হয়। যাতে তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু প্রেশার কুকারে ডিম সেদ্ধ করতে গেলে বড় বিপদ আসতে পারে। তাই প্রেশার কুকারে ডিম সেদ্ধ নয়।

৪. সবজি যদি আমরা প্রেশার কুকারে রান্না করি তবে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যাবে। কারণ প্রেশার কুকারে সবজি রান্না করলে এর মধ্যে বিদ্যমান থাকা ভিটামিন ও মিনারেলস নষ্ট হয়ে যায়। যেসব রান্না করতে সময় খুবই কম লাগে সেগুলো প্রেশার কুকারে না দেয়াই ভালো। কারণ প্রেশার কুকারে রান্না করলেও কড়াইতে আবার রান্না করতে হয়। এভাবে বেশি সময় ধরে জ্বাল দেয়ার কারণে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

সাবধানতা:

প্রেশার কুকারের মুখ লাগানোর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে ঠিক মতো বন্ধ হয়েছে কি-না। প্রেশার কুকারের সিটি না বাজার আগে কখনো মুখ খোলা উচিত নয়। যেসব রান্না করার সময় উপচে উঠে সেগুলো প্রেশার কুকারে রান্না না করাই ভালো। আর রান্না করতে হলেও খুব অল্প পরিমাণে রান্না করতে হবে। আবার খুব পুরনো প্রেশার কুকার ব্যবহার না করা উত্তম।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here