ইরানের ইসলামী বিপ্লবের ৪০তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পাঁচ দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের যৌথ উদ্যোগে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ওই প্রদর্শনী।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ সময় আরও উপস্থিত থাকবেন ইরানি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ রেজা নাফার ও বিশিষ্ট অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক তৌকির আহমদ।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি চলচ্চিত্র দেখানো হবে। তবে ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দুটি করে চলচ্চিত্র দেখানো হবে।

প্রথম দিন রাসুল মোল্লাকলিপুর পরিচালিত ‘মিম মেসলে মা’দার’ (এম ফর মাদার) ছবিটি দেখানো হবে। এছাড়া ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে দেখানো হবে ইরানের বিখ্যাত পরিচালক মাজিদ মাজিদি নির্মিত চলচ্চিত্র আ’ভা’যে গোনজেশ্কহা’ (চড়ুইয়ের গান), পুরান দেরাখ্শান্দে পরিচালিত পারান্দে কুচেক খোশবাখতি (সৌভাগ্যের ছোট পাখি), তাহমিনেহ মিলানি পরিচালিত ‘সুপার স্টার’, মাহদি ফাকহিমযাদেহ পরিচালিত ‘শেতাব যাদেহ’, আলি হাতামি পরিচালিত ‘মা’দার’ (মা), শাহপুর কারিব পরিচালিত ‘বোগযার যেন্দিগি কোনাম’, রাসুল সাদ্রআমেলি পরিচালিত ‘দোখতারি বা’কাফাসহা’য়ে কেতা’বি (দ্য গার্ল ইন দ্যা স্নিকার্স)’ ও হাবিব কা’বুশ পরিচালিত ‘ওমিদ’ (আশা)। এসব চলচ্চিত্র দেখার জন্য কোনও টিকিট লাগবে না।

১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মহান নেতা ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লব চূড়ান্তভাবে সফলতা লাভ করে এবং রেজা শাহের পতন হয়। ইরানের জনগণ মুক্তি পায় মার্কিন সমর্থিত দীর্ঘকালের পাহলভি রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা থেকে। এর মধ্যদিয়ে ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় জনগণের অংশগ্রহণমূলক ইসলামি শাসন ব্যবস্থা। বিপ্লবের ৪০তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেশ-বিদেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here