স্প্যানিশ কাপের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ছিলেন না লিওনেল মেসি, হেরেছিল বার্সেলোনা। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগেও একই দুর্ভাগ্য বরণ করে নিতে হলো চ্যাম্পিয়নদের। বুধবার সেভিয়ার মাঠে ২-০ গোলে হেরেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

অবশ্য শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে মেসির ছোঁয়ায় বদলে যায় ভাগ্য। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে শেষ আটে উঠেছিল তারা। আগামী বুধবার দ্বিতীয় লেগে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তির প্রত্যাশা কাতালান জায়ান্টদের।

প্রথমার্ধের খেলার গোলশূন্য শেষ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে পাওলো সারাবিয়া ও উইসাম বেন ইয়েদার স্তব্ধ করে দেন কালাতানদের। এই হারে শেষ চারে যাওয়া অনেকটা কঠিন হয়ে গেল আর্নেস্টো ভালভার্দের দলের।

রীতিমতো পাহাড় টপকাতে হবে তাদের। সেমিফাইনালে যেতে হলে ঘরের মাঠের দ্বিতীয় অন্তত তিন গোলের ব্যবধানে জিততে হবে বার্সাকে।

ম্যাচের কয়েকঘন্টা আগে নেদারল্যান্ডসের তরুণ তারকা ফ্রেঙ্কি দে জংকে সই করানোর ঘোষণা দেয় বার্সা। আর ম্যাচে অভিষেক হয় দুদিন আগে ক্লাবে নাম লেখানো ঘানার তারকা কেভিন-প্রিন্স-বোয়েটাংয়ের।

আগেরবার এই সেভিয়াকে হারিয়েই কোপার শিরোপা জিতেছিল বার্সা। চলতি মৌসুমেও তিন মুখোমুখিতে জিতেছিল কাতালানরা। কিন্তু এদিন সেভিয়ার মাঠে হালে পানি পায়নি তারা।

প্রথমার্ধে বার্সার গোলমুখে একাধিক আক্রমণ করেছে সেভিয়া। আর্তুরো ভিদালের হাতে লাগা বল নিয়ে হইচইও হয়। পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টি নাকচ করে দেন রেফারি। ৩০ মিনিটের সময় উইসাম বেন ইয়েদারের একটি দুর্দান্ত শট আটকে দেন বার্সা গোলকিপার ইয়াসপার সিলেসেন।

বেন ইয়েদারের পাল্টা হিসেবে সেভিয়ার জালে বল প্রায় জড়িয়েই দিয়েছিলেন বার্সার ম্যালকম। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান তরুণের বুলেট শট ঠেকিয়ে দেন সেভিয়া গোলকিপার হুয়ান সোরিয়ানো।

অবশেষে ৬০ মিনিটের সময় গোলমুখের তালা খোলেন বেন ইয়েদার। ছয় মিটার দূর থেকে জোরালো শটে গোল করে ফরাসি ফরোয়ার্ড। এর কিছুক্ষণ পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সারাবিয়া। শেষ দিকে মরিয়া চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বার্সেলোনা।

দ্বিতীয় লেগের খেলা হবে আগামী বুধবার, বার্সার ঘরের মাঠ বার্নাব্যুতে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here