বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন-২০১৯ এর খসড়ায় চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। এছাড়াও বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা)-২০১৯ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

সচিব বলেন, দেশীয় পতাকাবাহী জাহাজ পণ্য পরিবহনে অপারগ হলে অন্য জাহাজে পণ্য পরিবহন করা যাবে। দেশের জাহাজ শিল্পকে সুরক্ষা দিতে এ আইন করা হচ্ছে।

আইনের কোনো বিধি অমান্য করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানারও বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদের শেষ সময়ে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন-২০১৯ এর খসড়াটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হয়েছিল। তবে সেটি আইন হিসেবে পাস করার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল না। নতুন মেয়াদে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা এই আইনটির খসড়ায় চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে এই আইনটি পাস করার জন্য এখন সংসদে উত্থাপিত হবে।

এছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২০১৮ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, তিন মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়েছে ৯টি। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৮৩টি। বাস্তবায়ন হয়েছে ৫৬টি। বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্ত হচ্ছে ২৭টি। অনুমোদিত নীতি ও কৌশল নেওয়া হয়েছে ৭টি। এমওইউ স্বাক্ষর হয়েছে ৫টি এবং সংসদে আইন পাস হয়েছে ১৯টি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here