অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ড। ক্যাঙারুদের দেশের পর এ বার কিউইদের দেশেও তেরঙা পতাকা ওড়াল ভারতীয় দল। সাত উইকেটে জিতে পাঁচ ম্যাচের একদিনের সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেই বিরাট কোহালির দল ৩-০ এগিয়ে গেল। এবং সিরিজ জিতে ৫-০ করার আশা জাগিয়ে তুলল।

দশ বছর আগে কিউইদের দেশে একদিনের সিরিজ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই শেষবার। এক দশক পর ফের সিরিজ জিতল ভারত। এবং তা এল অনেক বেশি দাপটে। বিশ্বের চার নম্বর দলকে তাদের দেশে এসে যে আধিপত্য রেখে হারাল ভারত, তাতে বিশ্বকাপ অভিযানের আগে দলের ভারসাম্য স্বস্তি আনছে।

২৪৪ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করে প্রথম উইকেটে উঠেছিল ৩৯ রান। বাঁ-হাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান ফিরেছিলেন ২৭ বলে ২৮ করে। তারপর থেকে রোহিত শর্মা (৬২) ও বিরাট কোহালি (৬০) টানলেন দলকে। দ্বিতীয় উইকেটে দু’জনে ১১২ রান যোগ করলেন। রোহিত ও কোহালি ফিরলেন পর পর। কিন্তু, তাতে রান তাড়ায় প্রভাব পড়েনি। অম্বাতি রায়ডু (অপরাজিত ৪০)  ও দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ৩৮) আগ্রাসী ভঙ্গিতেই জিতিয়ে ফিরলেন। ৪৩ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্য়ে পৌঁছে গেল ভারত (২৪৪/৩)। জয় এল ৪২ বল বাকি থাকতে।

তার আগে ৪৯ ওভারে নিউজিল্যান্ড শেষ হয়েছিল ২৪৩ রানে। রস টেলরের ৯৩ রানের লড়াকু ইনিংস সত্ত্বেও আড়াইশো তুলতে পারেনি তারা। যা ভারতীয় বোলারদের দাপটেরই ইঙ্গিত দিল।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কখনই স্বস্তিতে ছিল না নিউজিল্যান্ড। বে ওভালে নিয়মিত উইকেট পড়ছে কিউইদের। যার ফলে ইনিংস কখনই রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারল না। ৫৯ রানে পড়ে গিয়েছিল তিন উইকেট। আউট হয়েছিলেন মার্টিন গাপ্টিল (১৩), কলিন মুনরো (৭) ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (২৮)। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে টম লাথামের সঙ্গে রস টেলর ১১৯ রান যোগ করেছিলেন।

মুনরো আউট। বোলার শামিকে অভিনন্দন সতীর্থদের। ছবি: এপি।

পাঁচ ম্যাচের একদিনের সিরিজে ২-০ এগিয়ে  এই ম্যাচে নেমেছিল ভারত। নেপিয়ারে জয় এসেছিল আট উইকেটে।। মাউন্ট  মাউনগানুইয়েই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ রানে আসে জয়। এই ম্যাচ জিতলে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলার হাতছানি ছিল টিম ইন্ডিয়ার সামনে। আর ভারত ঠিক সেটাই করল।

এই ম্যাচে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে পায়নি ভারত। হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার জন্য সোমবার বিশ্রাম দেওয়া হল তাঁকে। পরিবর্তে প্রথম এগারোয় এসেছিলেন দীনেশ কার্তিক। তিনিই উইকেটের পিছনে থাকলেন। একটি বদল ঘটেছিল ভারতীয় দলে । নির্বাসন তুলে নেওয়ার পর দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ড্য খেললেন। বিজয় শঙ্করের পরিবর্তে প্রথম এগারোয় এলেন তিনি। দেখা গেল, পরিবর্তরাও তৈরি আছেন যে কোনও মুহূর্তে খেলার জন্য।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here