ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টিতে ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ছিলো পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টান টান উত্তেজনা তৈরি করেও ম্যাচটি তারা হেরে গেছে মাত্র ৬ রানে!

ফলে সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে টানা ১১ ম্যাচ তাড়া করে জয়ের পর হার দেখলো পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য এই তাড়া করে টানা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড পাকিস্তানেরই।

আগে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকরা করেছিল ৬ উইকেটে ১৯২ রান। দলটির হয়ে ডু প্লেসি ৭৮ ও রিজা হেনড্রিকস ৭৪ রান করেন। জবাব দিতে নেমে ৯ উইকেটে ১৮৬ রানে থামে পাকিস্তান। সফরকারীদের হয়ে শোয়েব মালিক ৪৯ রান করেন।

শুক্রবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জিহান ক্লোটিকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য ডু প্লেসির সঙ্গে ১৩১ রানের জুটিতে দলকে দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড় করান রিজা হেনড্রিকস। তাতে বড় সংগ্রহের পথে এগিুতে থাকে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ে ৭৮ রান করা অধিনায়ক ডু প্লেসিকে বিদায় করে বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন উসমান শিনওয়ারি। এরপর নিয়মিত উইকেট হারালেও দলকে দুইশ রানের কাছে নিয়ে যান রিজা হেনড্রিকস। ৪১ বলে আট চার ও দুই ছয়ে এই ওপেনার করেন ৭৪ রান।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। তারপরও বাবর আজম ও হোসাইন তালাতের ৮১ রানের জুটিতে দুর্দান্ত গতিতেই ছুটছিল পাকিস্তান। কিন্তু ইনিংসের ১০ম ওভারের শেষ বলে ডেভিড মিলারের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে যান আজম। তারপরও একার লড়াইয়ে সফরকারী আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন শোয়েব মালিক।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। কিন্তু ক্রিস মরিচের করা প্রথম দুই বল থেকে চার কিংবা হাঁকাতে পারেননি শোয়েব মালিক। সেই চাপ পরের বলে ফিরে যান মালিক। যে কারণে পেরে ওঠেনি পাকিস্তান।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন ডেভিড মিলার। যদিও এ ডানহাতি ব্যাট হাতে তেমন কিছুই করতে পারেননি। কিন্তু আউটফিল্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার রেকর্ড চারটি ক্যাচ আর দুটি রান আউট করে ম্যাচের পার্থক্য গতে দিতে দারুণ অবদান রাখেন।

রোববার জোহানেসবার্গে হবে পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যেকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here