‌ইয়েমেনি ভূখণ্ডে কোনো বিদেশি সেনা সহ্য করা হবে না। এ কথা বলেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের জনগণ এ দেশে কোনো বিদেশি সেনা মেনে নেবে না। জনগণের রাজনৈতিক ও গণদাবি হচ্ছে জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি রক্ষা করা। ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ব্রিটেনের হস্তমূলক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

ইয়েমেনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত মাইকেল অ্যারোন আল-জাজিরা টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইয়েমেনে বিদেশি সেনা থাকা বা না থাকার বিষয়ে দেশটির পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বু মানসুর হাদি ও তার সহযোগীরা সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি দাবি করেন, ইয়েমেন যুদ্ধের সঙ্গে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ব্রিটিশ অস্ত্র বিক্রির কোনো সম্পর্ক নেই।

ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ইয়েমেনের জনগণ বিদেশি সেনা উপস্থিতির বিরোধী। ইয়েমেনে বিদেশি সেনাদের স্থান নেই। এর আগে ইয়েমেনের জনগণ বারবারই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে বিদেশি সেনা উপস্থিতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ঘোষণা করেছে।

ইয়েমেনের পদত্যাগী ও পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে দরিদ্র ওই দেশটিতে হামলা চালিয়ে আসছে সৌদি আরব। এতে সার্বিক সমর্থন ও সহযোগিতা দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এবং আমেরিকার মিত্র দেশগুলো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here