টানা দুই ম্যাচ হেরে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে আগেই সিরিজ হারায় পাকিস্তান। বুধবার তৃতীয় ম্যাচটি তাই ছিল গুরুত্বহীণ। গুরুত্বহীন ম্যাচটিতে ২৭ রানে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল সফরকারীরা। এই জয় দিয়েই শেষ হল তাদের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। টেস্টে ৩-০, ওয়ানডেতে ৩-২ আর টি-টোয়েন্টিতে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে পাকিস্তান।

প্রথম টি-টোয়েন্টি ৬ রানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান হেরেছিল ৭ রানে। স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়াই করে হারের দুঃখ কিছুটা হলেও কমেছে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জয়ে। সেঞ্চুরিয়নে এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান উদ্বোধনী জুটি থেকে পায় ২৪ রান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে যেখানে ২৩ রানই আসে বাবর আজমের ব্যাট থেকে। এই ব্যাটসম্যান ১১ বলে ৫ বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আউন হন ক্রিস মরিসের বলে। তার আউটের পর ফখর জামানও যেতে পারেননি বেশিদূর, করেন ১৭ বলে ১৭ রান।

এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ২৬, শোয়েব মালিকের ১৮, আসিফ আলীর ২৫ ও ইমাদ ওয়াসিমের ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। তবে পাকিস্তানের রান ১৬৮ হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন শাদাব খান। লোয়ার অর্ডারে এই ব্যাটসম্যান মাত্র ৮ বলে ৩ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ২২ রানের ইনিংস।

দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে সফল বোলার ব্যুরান হেনড্রিকস। এই পেসার মাত্র ১৪ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। ২টি উইকেট পেয়েছেন ক্রিস মরিস।

১৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। মাত্র ১৪ রানে তারা হারায় দুই ওপেনার রিজা হেনড্রিকস (৫) ও জানেমান মালানের (২) উইকেট। ব্যর্থ হয়েছেন হেইনিখ ক্লাসেন (২), ডেভিড মিলার (১৩) ও আন্দিলে ফেলুকাও (১০)।

তাদের ব্যর্থতার ভিড়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৪১ রানের ইনিংস খেলেছেন রাসি ফন ডের ডুসেন। ৩৫ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ২ চার ও ২ ছক্কায়। তার সঙ্গে মরিস দলীয় সর্বোচ্চ ৫৫* রানের ইনিংস খেলেও হার এড়াতে পারেননি প্রোটিয়াদের। এই অলরাউন্ডার ২৯ বলের ইনিংসটি সাজান ৫ চার ও ৩ ছক্কায়।

পাকিস্তানের জয়ের পথে বল হাতে দারুণ দিন কাটিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। এই পেসার ২৭ রান খরচায় পেয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট শিকার শাদাব খান ও ফাহিম আশরাফের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here