ভাগ্য বটে, টানা তিনবার অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে দলকে তুলেছেন ফাইনালের মঞ্চে। ২০১৬ সালে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ৫৬ রানে জিতলেও হারতে হয়েছে পরের দুইটা। রংপুরের বিপক্ষে হারের পর এবার পরাজয় মেনে নিতে হলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে। গতকাল (শুক্রবার) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে হারের জন্য ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক কাঠগড়াতে তুলছেন দলের ব্যাটসম্যানদের।

আপাত দৃষ্টিতে ঢাকার হারটা হয়েছে প্রথম ইনিংসে, যখন তাদের সামনে টার্গেট দাঁড়িয়েছে সমান ২০০ রানের। আরও পরিস্কার করে বললে তামিম ইকবালের কাছে। কেননা ম্যাচে ৬১ বলে তার করা অপরাজিত ১৪১ রানই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে ম্যাচের। ঢাকার বোলারদের রীতিমত তুলোধোনা করে ১০টা চারের সাথে তামিম একাই হাঁকিয়েছেন ১১ খানা ছক্কা।

তবে নিজের বোলারদের এমন বোলিংয়ের পরেও বিন্দুমাত্র হাল ছাড়েননি সাকিব। ফাইনাল ম্যাচের এমন ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ২০০ রানও জয়ে নাগালে ছিল বলে জানালেন ডায়নামাইটস দলপতি। ম্যাচ হারের কারণ দর্শাতে যেয়ে সাকিব বলেন, ‘আসলে কুমিল্লা যখন ১৯৯ রান করে তখন আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করেছি এই উইকেটে এই রান চেজ করা সম্ভব।’

‘শুরুটাও আমরা ভালো পেয়েছিলাম, প্রথম ১১ ওভারে মনে হয় ১২০ এর (১১৯) মত ছিলো ১ উইকেটে। ৮০ রান ৯ উইকেট হাতে নিয়ে বেশিরভাগ সময়েই করা সম্ভব। আর আমাদের যে পাওয়ার হিটার পিছনের দিকে ছিলো, আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমাদের চেজ করা উচিৎ ছিলো ওই সময়।’ বলে সাকিব আরও যোগ করেন।

তবে ম্যাচে তামিমের এমন বিধ্বংসী ইনিংস নয়, বরং নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতাকে বড় করে দেখছেন তিনি। ম্যাচ হারের জন্য টার্নিং পয়েন্ট বের কর‍তে যেয়ে সাকিব বললেন, ‘আমরা আমাদের মোমেন্টাম হারিয়ে ফেলি থারাঙ্গা আউট হওয়ার পর থেকে। ১২ নম্বর ওভারের বোধহয় লাস্ট বলে (প্রথম বল) আউট হয়। ওর পর থেকে আমার আউট, রনির রান আউট, এগুলা খব ক্রুশাল ছিলো। আপনি যদি দেখেন আজকের ম্যাচে আমি, পোলার্ড, রাসেল, নারাইন মিলে মনেহয় ২০ রান করি নাই। আমরা হারছি হয়তো ১৫ (১৭) রানে। আমাদের উপরে যেহেতু টিমটা অনেক নির্ভর করে তো আমরা ওখানে ব্যর্থ হয়েছি জন্যই ম্যাচটা হেরে গেছি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here